মুকসুদপুরে অবৈধ মাছ ধরার ৩০০টি দোহার জব্দ, আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস..

Md Mamun Molla avatar   
Md Mamun Molla
মুকসুদপুরে অবৈধ মাছ ধরার ৩০০টি দোহার জব্দ, আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস..
মুকসুদপুরে অবৈধ মাছ ধরার ৩০০টি দোহার জব্দ, আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস..
মোঃ মামুন মোল্লা মুকসুদপুর প্রতিনিধি
আঞ্চলিক ভাষায় পড়ুন:

মুকসুদপুরে অবৈধ মাছ ধরার ৩০০টি দোহার জব্দ, আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে অবৈধভাবে মাছ শিকারে ব্যবহৃত ৩০০টি দোহার (নিষিদ্ধ মাছ ধরার উপকরণ) জব্দ করে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
রবিবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে সংযোজন করুন) সকাল ১১টার দিকে মাগুরা জেলা থেকে মুকসুদপুরে আনা এসব দোহার মুকসুদপুর থানার সামনে থেকে জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে জব্দকৃত উপকরণগুলো মুকসুদপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আজিজুর রহমানের (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পরে বিষয়টি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-কে অবহিত করা হলে তাঁর নির্দেশনায় জব্দকৃত অবৈধ দোহারগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ধ্বংস করা ৩০০টি দোহারের আনুমানিক বাজারমূল্য ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। এসব উপকরণ দেশের প্রচলিত মৎস্য আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ এবং জলাশয়ে ব্যবহারের ফলে দেশীয় মাছের প্রজনন ও মৎস্যসম্পদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
জানা গেছে, জব্দকৃত দোহারগুলোর মালিক মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর উপজেলার মুসা নামে এক ব্যক্তি। তবে অভিযান পরিচালনার সময় তাকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। মালামাল পরিবহনের কাজে নিয়োজিত ভ্যানচালক আব্দুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়।
মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ, মাছের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিতকরণ এবং অবৈধ মাছ শিকার প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)

সরাসরি কেনাকাটা করুন
সবগুলো দেখুন
খবরের সাথে চ্যাট করুন (AI Chat with the News)
Powered by AI
📋 ৩ লাইনে সারসংক্ষেপ
🔍 মূল কারণ ও প্রেক্ষাপট
👥 প্রধান ব্যক্তি/পক্ষ
⚡ প্রভাব ও পরিণতি
AI Assistant
নমস্কার/সালাম! আমি এই সংবাদের বিবরণটি পড়েছি। এই খবরের যেকোনো তথ্য জানতে আমাকে প্রশ্ন করুন।
এআই ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক কার্টুন (AI Satirical Cartoon)
Instant Caricature
Eye News Logo

সংবাদটির ওপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিক একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক কার্টুন তৈরি করুন।

לא נמצאו הערות


News Card Generator