close

কমেন্ট করুন পয়েন্ট জিতুন!

খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আগামীকাল ঢাকা আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড তার চিকিৎসার দায়িত্বে ছিল। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে বিদেশে নেওয়া সম্ভব হয়নি।..

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আগামীকাল মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) ঢাকা আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর। ভারত সরকার ও সে দেশের জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি এই সফরে আসছেন।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

ভারতের শোক ও শ্রদ্ধা এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১০টা ১৭ মিনিটে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে বেগম জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ড. এস জয়শঙ্কর ভারত সরকারের পাশাপাশি দেশটির জনগণের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় আসছেন। জানা গেছে, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আরও কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিরাও জানাজায় অংশ নিতে এবং শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আগামীকাল ঢাকায় উপস্থিত থাকবেন।

মৃত্যু ও জানাজা মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ‘আপসহীন নেত্রী’ খ্যাত বেগম খালেদা জিয়া। আগামীকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

দীর্ঘ রোগভোগ ও চিকিৎসা সাবেক প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি ও হার্টের জটিলতায় ভুগছিলেন। গত ২৩ নভেম্বর হার্ট ও ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড তার চিকিৎসার দায়িত্বে ছিল। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে বিদেশে নেওয়া সম্ভব হয়নি।

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ১৯৪৫ সালে জন্মগ্রহণকারী খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী সরকারপ্রধান। ১৯৮১ সালে স্বামী জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর রাজনীতিতে আসা এই নেত্রী ১৯৮৩ সালে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৪ সালে চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন।

রাজনীতিতে তিনি এক অনন্য রেকর্ডের অধিকারী—কখনো কোনো নির্বাচনে তিনি পরাজিত হননি। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ৫টি এবং ২০০৮ সালে ৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সবকটিতেই জয়লাভ করেন। রাজনৈতিক জীবনে মামলা, গ্রেপ্তার, কারাবাস ও ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার শিকার হলেও তিনি তার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি।

No comments found


News Card Generator