স্টাফ রিপোর্টার
তানিন পিয়াস চৌধুরী
তাং: ২৮/০৬/২০২৬
মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)
হেডলাইন: লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে দিনে-দুপুরে বাসায় ঢুকে মা ও তিন বোনের হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচন হয়েছে।
বিভিন্ন সংবাদ পত্রের প্রকাশিত খবর অনুযায়ী জানা যায়, হিন্দু সম্প্রদায়ের কুলাঙ্গার ঘাতক অনন্ত মজুমদার দেড় বছর আগে একই বাড়ীর পাঁচ তলায় ভাড়া থাকতেন।
হিন্দু ও বিবাহিত হবার পরেও ঘাতক অন্তর নিহত শাহিনূর আক্তারের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া বড় মেয়ে
সায়মা আক্তারকে উত্যক্ত করতেন এবং বিবাহ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করতেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অন্তরের এই বেপরোয়া আচরণের পেছনে স্থানীয় কিছু আড্ডা ও মাদকের আস্তানা দায়ী ছিল।
পরবর্তীতে মাদক সেবনের অভিযোগে স্থানীয় ব্যক্তিদের চাপে অন্তরকে ভাড়া বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে ঘাতক অন্তর দলবল নিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দিলে সায়মার পরিবার সরাসরি তা প্রত্যাখ্যান করে।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অন্তর হুমকি দিয়ে বিদায় হয়।
ঘটনার দিন সকালে পানির মিস্ত্রি সেজে কৌশলে বাসায় প্রবেশ করে অন্তর।
ভেতরে ঢুকেই সে ধারালো অস্ত্র নিয়ে সায়মার ওপর চড়াও হয়।
মেয়েকে বাঁচাতে মা এবং অন্য দুই বোন এগিয়ে আসলে মদ্যপ অন্তর সবাইকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে।
ঘটনাস্থলেই মা ও দুই মেয়ে প্রাণ হারান এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন মেজো বোন ইকরা।
এই ঘটনার সারাংশ হলো ঘাতকের কোন ধর্ম থাকে না।
তারপরও বলতে হয় ভারতের এক শ্রেণী হিন্দু আর বাংলাদেশের ভারতের দালাল হিন্দু প্রতিনিয়ত বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের যে গুজব ছড়িয়ে বাংলাদেশের সুনাম ক্ষুন্ন করছে, তাদের গুজবের মুখে ছাই দিয়ে হিন্দু ঘাতক অন্তর প্রমাণ করেছে,বাংলাদেশে হিন্দুরা মোটেও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে না।
বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যদি নির্যাতনের শিকার হতেন, তাহলে অন্তরের মতো একজন ঘাতক হিন্দুর পক্ষে কখনোই একটি মুসলমান পরিবারের মেয়ের উপর কুনজর দেওয়ার সাহস হতো না,ঘাতক অন্তর কখনোই প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে মুসলমান পরিবারের উপর আক্রমণ করে মা সহ তিন মেয়েকে হত্যার সাহস পেত না।
বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ হিসেবে আমি মনে করি, যে বা যারা বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের গুজব ছড়াচ্ছে এরা ব্যক্তি /গোষ্ঠী স্বার্থে গুজব ছড়াচ্ছে।
যা বাংলাদেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ মাত্র।
সনজীত কুমার দে।
বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিক।
তানিন পিয়াস চৌধুরী
দি আই নিউজ বিডি সংবাদ
সংবাদটির ওপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিক একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক কার্টুন তৈরি করুন।