চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে পুরো এলাকায়। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে হাট-বাজার, পাড়া-মহল্লা—সবখানেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু একটাই প্রশ্ন, কে হচ্ছেন আগামী দিনের সংসদ সদস্য?
এবারের নির্বাচনে এই আসনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে লায়ন মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ। দীর্ঘদিন ধরে চাঁদপুর-৪ আসন বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত হওয়ায় দলীয় ভোট ব্যাংকের দিক থেকে তিনি সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
তবে নির্বাচনের চিত্র পাল্টে দিয়েছে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত থাকা নেতা আলহাজ্ব এম এ হান্নানের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করা। দলীয় মনোনয়নের বাইরে গিয়ে তার প্রার্থী হওয়ায় ভোট বিভাজনের আশঙ্কার কথা বলছেন অনেকেই। ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা, সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং স্থানীয় রাজনীতিতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কারণে তিনি দ্রুতই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী বিল্লাল হোসেন মিয়াজী নিয়মিত গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। তার সমর্থকদের দাবি, বিকল্প শক্তি হিসেবে জামায়াত এবারের নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য অবস্থান তৈরি করতে পারে।
ফরিদগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কথা বলে জানা গেছে, ভোটারদের মতামত একেকজনের কাছে একেক রকম। কেউ দলীয় আদর্শকে প্রাধান্য দিচ্ছেন, কেউ আবার ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, উন্নয়ন ভাবনা ও এলাকার সঙ্গে সম্পৃক্ততাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।
সব মিলিয়ে চাঁদপুর-৪ আসনে এবারের নির্বাচন যে হবে হাড্ডাহাড্ডি ও উত্তেজনাপূর্ণ, তা স্পষ্ট। শেষ পর্যন্ত ভোটারদের রায়েই নির্ধারিত হবে কে হচ্ছেন আগামী দিনের জনগণের প্রতিনিধি।



















