খাঁন মোঃ আঃ মজিদ দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি
দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার সেতাবগঞ্জ পৌর এলাকায় মোছাঃ আশা আক্তার ও তার পরিবারের হঠাৎ বিপুল সম্পদের মালিক হওয়া নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, অল্প সময়ের ব্যবধানে এই পরিবার ‘আঙুল ফুলে কলাগাছ’ হয়ে উঠলেও তাদের সম্পদের সুনির্দিষ্ট উৎস এখনো অজানা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বোচাগঞ্জ উপজেলার জালগাঁও এলাকায় মোটা রঙিন টিন ও পাকা স্থাপনার সমন্বয়ে একটি নতুন ভবন নির্মাণ করছেন মোছাঃ আশা আক্তার। অভিযোগ রয়েছে, ওই নির্মাণকাজে ব্যবহৃত অর্থের একটি অংশ এসেছে স্বামীর বাড়ি থেকে চুরি করা প্রায় ১৭ লাখ ৯ হাজার ২০০ টাকা থেকে।
এদিকে, গত ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে সন্ধ্যা আনুমানিক ছয়টার দিকে মোছাঃ আশা আক্তার তার দুই কন্যা সন্তান— মোছাঃ জান্নাতি আক্তার (৫) ও মোছাঃ মিম আক্তার (সাড়ে ৩)—কে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। পরিবারের সদস্যদের কাছে তিনি রিকশাযোগে বেড়াতে যাওয়ার কথা বললেও অভিযোগ রয়েছে, তিনি কোটি টাকার সম্পদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জরুরি কাগজপত্র ও একটি গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নিয়ে পালিয়ে যান। এরপর থেকে তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি।
পরদিন ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে তাকে খুঁজতে গেলে অভিযোগকারী পক্ষকে পরিবারের লোকজন আটক রাখেন এবং পরে তাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, বর্তমানে আশা আক্তার ও তার পরিবার ঢাকায় আত্মগোপনে রয়েছেন।
এই ঘটনায় সেতাবগঞ্জ পৌরসভা ও বোচাগঞ্জ উপজেলার সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। এলাকাবাসীর প্রশ্ন--আশা আক্তার ও তার পরিবারের এই বিপুল সম্পদের উৎস কী? কোটি টাকার সম্পদ ও জরুরি ফাইল নিয়ে তিনি কীভাবে পালিয়ে গেলেন এবং এর পেছনে কারা জড়িত?
স্থানীয়রা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টিআকর্ষণ করেছেন।



















