যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনের রাজনীতিতে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে সাবিরা নাজমুল মুন্নি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক এবং ধানের শীষের পাগল সাধারণ মানুষ যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না তাদের প্রিয় নেত্রীর নির্বাচনে জয়ী হতে না পারার বিষয়টি।
তৃণমূল পর্যায়ের সাধারণ মানুষের দাবি, সাবিরা নাজমুল মুন্নির এই পরাজয় কোনো স্বাভাবিক ঘটনা নয়, বরং স্থানীয় কতিপয় নেতার অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র ও অসহযোগিতাই এর প্রধান কারণ।
চৌগাছা ও ঝিকরগাছা উপজেলার সাধারণ ভোটার ও তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, সাবিরা নাজমুল মুন্নিকে পরাজিত করতে দলের ভেতরে থাকা পদধারী কিছু নেতা নেপথ্যে থেকে ষড়যন্ত্র করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রবীণ কর্মী জানান, "মুন্নি আপা ধানের শীষের জন্য জানপ্রাণ দিয়ে কাজ করেছেন।
কিন্তু মাঠে আমরা দেখেছি কিছু নেতা মুখে ঐক্যের কথা বললেও কাজের ক্ষেত্রে ছিলেন নিষ্ক্রিয় কিংবা বিরোধী পক্ষের সহায়ক। তাদের অবহেলার কারণেই আজ সাধারণ মানুষের প্রাণের নেত্রী সংসদে যেতে পারেননি।"
তৃণমূলের সাধারণ মানুষের এখন একমাত্র প্রাণের দাবি—সাবিরা নাজমুল মুন্নিকে যেন সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য (MP) হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। সাধারণ মানুষের মতে, তিনি একজন ত্যাগী এবং মাঠ পর্যায়ের সফল নেত্রী।
সাবিরা নাজমুল মুন্নি খুলনার ৩৫টি আসনের মধ্যে বিএনপির একমাত্র নারী প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষের মশাল নিয়ে লড়াই করেছিলেন। শত বাধা ও মামলার শিকার হয়েও তিনি মাঠ ছাড়েননি।
চৌগাছা ও ঝিকরগাছার রাজপথে তার সরব উপস্থিতি সাধারণ মানুষের মনে আস্থার জায়গা তৈরি করেছে ।
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, "নেতাদের ষড়যন্ত্রে আমাদের ভোট নষ্ট হতে পারে, কিন্তু মুন্নি আপার প্রতি আমাদের ভালোবাসা আর দাবি নষ্ট হবে না। আমরা বিএনপি হাই কমান্ডের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, তাকে সংরক্ষিত আসনে এমপি করে আমাদের দাবি পূরণ করা হোক। সাধারণ মানুষ এখন তাকিয়ে আছে দলীয় সিদ্ধান্তের দিকে।



















