ট্রাম্পের বিস্ফোরক অভিযোগ: বহু বছর যুক্তরাষ্ট্রকে শোষণ, এখন চীনের সমীহ!..

تا بعدی

ট্রাম্পের বিস্ফোরক অভিযোগ: বহু বছর যুক্তরাষ্ট্রকে শোষণ, এখন চীনের সমীহ!..

0 Views· 27/07/26
Aditya Dhar
Aditya Dhar
3 مشترکین
3
که در

বিবরণী: সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের বিরুদ্ধে ফের বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন বহু বছর ধরে চীন যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থনৈতিকভাবে শোষণ করেছে মন্তব্য করে তিনি বলেছেন, এখন দেশটি আবারও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি সম্মান দেখাচ্ছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক ভিডিও বার্তায় ট্রাম্পের এই বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতিতে প্রভাবশালী দুই পরাশক্তির সম্পর্ক যখন টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন ট্রাম্পের এই মন্তব্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ এবং যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের দীর্ঘদিনের জটিলতাকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে ট্রাম্পের ‘শোষণ’ বিষয়ক অভিযোগ নতুন নয় প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সময়েও তিনি বারবার অভিযোগ করেছেন যে, চীন অবৈধ বাণিজ্য অনুশীলন, মেধাস্বত্ব চুরি এবং মুদ্রা কারসাজির মাধ্যমে মার্কিন অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে তার দাবি অনুযায়ী, চীন দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে অন্যায্য সুবিধা ভোগ করেছে, যা মার্কিন শিল্প ও কর্মসংস্থানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে ট্রাম্প প্রশাসন চীনের বিরুদ্ধে বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করে শুল্ক আরোপ করেছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল চীনের বাণিজ্য নীতি পরিবর্তন এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি কমানো তার ভাষ্যমতে, এই কঠোর পদক্ষেপের ফলেই চীন এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ‘সম্মান’ দেখাতে বাধ্য হচ্ছে এই মন্তব্য মূলত তার 'আমেরিকা ফার্স্ট' নীতির প্রতিফলন, যেখানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থকে বিশ্ব অর্থনীতির অন্যান্য বিবেচনার ঊর্ধ্বে স্থান দিয়েছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্টের এমন মন্তব্য বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতেও গভীর প্রভাব ফেলে যদিও ট্রাম্প এখন আর ক্ষমতায় নেই, তবুও যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা চলমান বাণিজ্য থেকে শুরু করে প্রযুক্তি, সামরিক সক্ষমতা এবং ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি বিরাজ করছে ট্রাম্পের এই বক্তব্য উভয় দেশের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান অবিশ্বাসকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং ভবিষ্যৎ নীতির ওপরও পরোক্ষ প্রভাব ফেলতে পারে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই মন্তব্য একদিকে যেমন তার রাজনৈতিক ভিত্তিকে আরও মজবুত করবে, তেমনি অন্যদিকে চীনের দিক থেকে কঠোর প্রতিক্রিয়াও আসতে পারে এই ধরনের বিস্ফোরক অভিযোগ বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইন, বিনিয়োগ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার উপর গভীর প্রভাব ফেলে, যা বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার সম্পর্কের টানাপোড়েন বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতা সৃষ্টি করে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে উন্নয়নশীল দেশগুলোর আমদানি-রপ্তানি, বৈদেশিক বিনিয়োগ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার উপর [সৌজন্যে: Facebook (Facebook)]

بیشتر نشان بده، اطلاعات بیشتر

 0 نظرات sort   مرتب سازی بر اساس


تا بعدی