জন্তর মন্তরে হিন্দু রক্ষা দলের চরম হুমকি: ‘দেশবিরোধীদের লাল করব’..

Hasta la próxima

জন্তর মন্তরে হিন্দু রক্ষা দলের চরম হুমকি: ‘দেশবিরোধীদের লাল করব’..

0 Views· 24/07/26
Aditya Dhar
Aditya Dhar
3 Suscriptores
3
En

বিবরণী: ভারতে আবারও ধর্মীয় ও রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে আগামী ২৬ জুলাই, শুক্রবার, রাজধানী দিল্লির প্রাণকেন্দ্র জন্তর মন্তরে এক চরম উস্কানিমূলক কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে কট্টরপন্থী ‘হিন্দু রক্ষা দল’ সংগঠনটি তাদের নেতা পিঙ্কি ভাইয়ার নামে প্রচারিত এক ভিডিওবার্তায় ঘোষণা করেছে, তারা ‘দেশবিরোধীদের পিছওয়াড়ে লাল করার’ উদ্দেশ্যে জন্তর মন্তরে সমবেত হবে এই ঘোষণা ভারতজুড়ে ইতিমধ্যেই ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই ভিডিওতে সরাসরি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং দিল্লি প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ট্যাগ করা হয়েছে, যা কর্মসূচির রাজনৈতিক অভিপ্রায়কে আরও স্পষ্ট করেছে এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে ‘হিন্দু রক্ষা দল’ তাদের এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হিসেবে ‘দেশবিরোধী’ তকমাধারী ব্যক্তিদের চরম শাস্তি দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে তাদের প্রকাশিত ভিডিওতে অত্যন্ত আপত্তিকর, হিংসাত্মক ও বিদ্বেষমূলক ভাষায় বলা হয়েছে, “হিন্দু রক্ষা দল পৌঁছছে ২৬ জুলাই জন্তর মন্তরে দেশবিরোধীদের পিছওয়াড়ে লাল করার জন্য!” ভারতীয় রাজনীতিতে এমন উস্কানিমূলক স্লোগান নতুন না হলেও, একটি সুনির্দিষ্ট স্থান ও তারিখ উল্লেখ করে এমন প্রকাশ্য হুমকি উত্তেজনাকে ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে যাচ্ছে জন্তর মন্তর দিল্লির একটি ঐতিহাসিক প্রতিবাদস্থল, যেখানে বিভিন্ন গোষ্ঠী তাদের দাবি ও প্রতিবাদ জানাতে শান্তিপূর্ণভাবে জড়ো হয় সেখানে এমন একটি আক্রমণাত্মক ও প্রতিশোধমূলক কর্মসূচি পালনের ঘোষণা নিঃসন্দেহে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলতে পারে এবং সংঘাতের জন্ম দিতে পারে ভিডিওটিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী সহ উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের অফিসিয়াল হ্যান্ডলগুলোকে ট্যাগ করা হয়েছে, যা এ ধরনের কর্মকাণ্ডে সরকারি কর্তৃপক্ষের পরোক্ষ সমর্থন বা নীরব অনুমোদনের ইঙ্গিত দিচ্ছে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে ‘হিন্দু রক্ষা দল’-এর এই চরমপন্থী ঘোষণা ভারতে সাম্প্রদায়িক বিভেদ ও সংঘাতের আশঙ্কা বহুগুণ বাড়িয়ে তুলেছে ‘দেশবিরোধী’ শব্দটির ব্যবহার অত্যন্ত ঢালাও এবং প্রায়শই সরকারের সমালোচক, ভিন্ন মতাবলম্বী, অথবা নির্দিষ্ট সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু করতে ব্যবহৃত হয় এমন একটি পরিস্থিতিতে, জন্তর মন্তরে ঘোষিত এই সমাবেশ সহিংসতার জন্ম দিতে পারে এবং সমাজের বিভিন্ন অংশের মধ্যে গভীর মেরুকরণ ঘটাতে পারে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের কর্মসূচি দেশের ধর্মনিরপেক্ষ ভাবমূর্তি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ এটি কেবল অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা সমস্যাই সৃষ্টি করবে না, বরং ভারতের স্থিতিশীলতা এবং মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও উদ্বেগ বাড়াবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর এখন বড় দায়িত্ব বর্তাচ্ছে এই উস্কানিমূলক কর্মসূচির বিরুদ্ধে সময়োচিত ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করার ২৬ জুলাই দিল্লির পরিস্থিতি কতটা শান্ত থাকবে, তা অনেকাংশেই সরকারি কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করছে [সৌজন্যে: @bhupender_hrd (𝕏 (Twitter))]

Mostrar más

 0 Comentarios sort   Ordenar por


Hasta la próxima