লাইক দিন পয়েন্ট জিতুন!
Shorts skab
যশোর সদর উপজেলার রূপদিয়া শেখপাড়া গ্রামে সুরাইয়া আক্তার স্মৃতি (১৮) নামের এক তরুণী গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি মিলন শেখ (মিলন ড্রাইভার) এর ছোট মেয়ে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২ আগস্ট) প্রতিদিনের ন্যায় রাতে খাবার শেষে "স্মৃতি" তার মায়ের সঙ্গে নিজের ঘরে ঘুমাতে যান। ঘন্টা খানেক পরে মাকে নিজ ঘরে গিয়ে ঘুমানোর অনুরোধ করেন "স্মৃতি"। এরপর রাত আনুমানিক ১২টার দিকে তার মা ঘরে উঁকি দিয়ে দেখতে পান সে তখনও মোবাইল দেখছে। এরপর তিনি তার কক্ষে যেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। কিন্তু পরদিন ভোরে স্মৃতির মোবাইল ফোনে দীর্ঘক্ষণ ধরে এলার্ম বাজলে মায়ের ঘুম ভেঙ্গে স্মৃতিকে ডাকাডাকি শুরু করেন। দীর্ঘসময় ধরে সাড়া না মেলায় সন্দেহ হয়। প্রতিবেশীদের সহায়তায় ঘরের দরজা ভেঙে তারা দেখেন, স্মৃতি আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে আছেন। জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে স্মৃতির বিয়ে হয় যশোর শহরের শংকরপুর চোপদারপাড়ার বাসিন্দা আহাদ আলীর সঙ্গে। কিন্তু সম্প্রতি আহাদ দ্বিতীয় বিয়ে করলে স্মৃতি বাবার বাড়িতে চলে আসেন এবং মানসিক অশান্তিতে ভুগছিলেন বলে পরিবার জানায়। রবিবার (৩ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে জানাজা শেষে তার দাফন সম্পন্ন হয়।
সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে মানববন্ধন
.
#ullapara | #sirajganj-4 | #azadhossain
ময়মনসিংহের ত্রিশালে এক চাল ব্যবসায়ীকে তার নিজ দোকানের ভেতর নির্মমভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার পর লাশ দোকানের ভেতরে রেখে বাইরে থেকে শাটার বন্ধ করে পালিয়ে যায় ঘাতকরা। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার বগার বাজার চৌরাস্তায়।
নিহত সুসেন চন্দ্র সরকার (৬২) উপজেলার সাউথকান্দা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বগার বাজার চৌরাস্তায় ‘মেসার্স ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি চালের আড়তের মালিক ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সুসেন চন্দ্র সরকারকে আঘাত করে হত্যা নিশ্চিত করে। এরপর দোকানের শাটার নামিয়ে দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে তারা।
দীর্ঘ সময় বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে দোকানে গিয়ে শাটার খুলে ভেতরে সুসেন চন্দ্র সরকারকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তারা। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের ছেলে সুজন সরকার জানান, তাদের দীর্ঘদিনের চালের ব্যবসায় কারও সঙ্গে কোনো শত্রুতা ছিল না। হত্যার পর দোকান থেকে কয়েক লাখ টাকা লুট করে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান পরিবার।
ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফিরোজ হোসেন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ শুরু করেছে বলে জানান তিনি।





