মিরুখালী-সাফা সড়কের করিমের পুল এলাকায় রাস্তা ভেঙে পানি চলাচল করছে। এতে সড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হ
Corti Creare
Questo video è in elaborazione, torna tra qualche minuto
কুতুবদিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:
দেশ থেকে জলাতঙ্ক নির্মূলের লক্ষ্যে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলায় ব্যাপকহারে কুকুরের টিকাদান (এমডিভি) কার্যক্রম–২০২৫ বাস্তবায়ন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিনিধি ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অংশগ্রহণে কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেজাউল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যথোয়াইপ্রু মারমা।
এমডিভি সুপারভাইজার মোঃ কামরুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ সাকিব উল আলম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রফিকুল ইসলাম, বড়ঘোপ ইউপি চেয়ারম্যান আ.ন.ম শহীদ উদ্দিন ছোটন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মুসলিম উদ্দিন ও এনটিভির অনলাইন প্রতিনিধি আবুল কাশেম।
এসময় লেমশীখালী ইউপি চেয়ারম্যান আখতার হোছাইন, উত্তর ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল হালিম সিকদার, কৈয়ারবিল ইউপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শফিউল আলম কুতুবী, কুতুবদিয়া থানার উপপরিদর্শক মোঃ মুজাম্মেল হক, সাংবাদিক নজরুল ইসলামসহ সরকারি কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্য সহকারীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, আগামী ১৪ ডিসেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ দিন কুতুবদিয়ার সব ইউনিয়নে জলাতঙ্ক প্রতিরোধে সকল কুকুরকে টিকা দেওয়া হবে। টিকাদান কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে বক্তারা সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
বরগুনা জেলার প্রশাসন ব্যবস্থায় নতুন উদ্দীপনা ও আশার প্রতীক হয়ে উঠে এসেছেন সদ্য যোগদান করা জেলা প্রশাসক (ডিসি) মিজ্ তাছলিমা আক্তার। জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি মানবিকতা, আন্তরিকতা ও উন্নয়নমুখী দৃষ্টিভঙ্গিকে সামনে রেখে একের পর এক কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করছেন। প্রথমবারের মতো বরগুনা একজন নারী জেলা প্রশাসক পাওয়ায় জেলাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে ইতিবাচক সাড়া।
শীত মৌসুমের শুরুতে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগ এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় অসহায়, শীতার্ত ও দরিদ্র মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, ভিক্ষুক পুনর্বাসন, শিক্ষা সহায়তা এবং সামাজিক সুরক্ষায় উদ্যোগ নিচ্ছেন,
দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি জেলার বিভিন্ন এলাকার উন্নয়ন প্রকল্প, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা, রাস্তা-ঘাট এবং নদীভাঙনসহ গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ শুরু করেন। স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি বাস্তব সমস্যাগুলো খুব কাছ থেকে জেনেছেন এবং সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন।
জেলার প্রতিটি উপজেলা, শহর ও সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শন শুরু করেন। জনগণের সমস্যা জানার পাশাপাশি চলমান উন্নয়নকাজগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন তিনি




