লাইক দিন পয়েন্ট জিতুন!
Celana pendek Membuat
মাত্র ১৮ বছর বয়স—জীবনের শুরু, স্বপ্ন গড়ার সময়। অথচ এ বয়সেই এক তরুণ এমন এক নির্মম সিদ্ধান্ত নিল, যা ভাবলেও হৃদয় কেঁপে ওঠে। আত্ম*হত্যা—এটা কোনো সমাধান নয়, বরং এক চরম পরিণতি। কিন্তু কী এমন কষ্ট ছিল তার জীবনে, যা তাকে এত বড় এক নিকৃষ্ট পথ বেছে নিতে বাধ্য করলো?
ছেলেটির বাবা নেই। পরিবারে ছিল শুধু মা ও এক বোন। সংসারের বড় সন্তান হিসেবে হয়তো দায়িত্বের ভারটাই বেশি অনুভব করতো। কে জানে—কোনো চাপ, অপমান, হতাশা বা অভাব তাকে ভিতর থেকে এমনভাবে ভেঙে দিয়েছে, যার বোঝা সে আর বহন করতে পারেনি।
সে নিজের জীবনটা শেষ করে দিলো ঠিকই—কিন্তু পেছনে রেখে গেলো এক অসহায় মা, যার বুকটা আজ ফেটে চৌচির, আর এক ছোট বোন, যার ভরসার একমাত্র মানুষটাকেও কেড়ে নিলো এই নিষ্ঠুর বাস্তবতা। সে নিজের জীবন দিয়ে নিজের প্রিয়জনদেরও যেন জীবন্ত লাশ বানিয়ে গেলো।
জানি না, কী সেই অজানা কষ্ট, কিন্তু এটুকু জানি—কাউকে হারানোর ব্যথা সারা জীবনের জন্য রয়ে যায়। জীবন যতই কঠিন হোক, বেঁচে থাকার লড়াইটাই সবচেয়ে বড় সাহস। কেউ যদি আগে পাশে দাঁাতাতো, একটু বোঝাতো—হয়তো আজ গল্পটা অন্যরকম হতো।
ডা:মো: মিজানুর রহমান- (হৃদরোগ, বক্ষব্যাধি ও রক্তনালী রোগ বিশেষজ্ঞ) সহকারী অধ্যাপক হিসেবে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকায় কর্মরত আছেন। তিনি অত্যন্ত সৎ, মানবিক, প্রচার বিমুখ চিকিৎসক তিনি ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার বড়ালী গ্রামের কৃতি সন্তান।
সরকারি হাসপাতাল রোর্ডের পাটওয়ারী মার্কেটের ২য় তলায়, কনকর্ড ডক্টরস কর্নারে প্রতি শুক্রবার
বিকাল ৫:০০টা থেকে রাত ৮:০০টা পর্যন্ত
দীর্ঘ ২৫ বছর যাবত ফরিদগঞ্জের হতদরিদ্র,অসহায় রোগী ও আত্বীয়-স্বজনদের প্রায় বিনামূল্য চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন।



