ডিবি পরিচয়ে গরুর ব্যবসায়ির ৫ লক্ষ্য টাকা ছিনতাই
ショーツ 作成
বাহুবলের মহাশয় বাজারে আবারও চুরি: বাজার কমিটির তৎপরতায় চোর শনাক্ত
হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার মিরপুর দক্ষিণ এলাকার মহাশয় বাজারে আবারও সংঘটিত হয়েছে চুরির ঘটনা। দীর্ঘদিন ধরেই বাজারে রাতের আঁধারে দোকান চুরির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল, যা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠার সৃষ্টি করেছিল।
সবশেষ চুরির ঘটনা ঘটে ‘রুবেল স্টোর’-এ, যেখানে দুর্বৃত্তরা দোকানের টিন কেটে ভেতরে প্রবেশ করে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা নগদ অর্থ এবং অন্যান্য মূল্যবান মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়। দোকান মালিকের অভিযোগ অনুযায়ী, চুরি রাতের বেলায় সংঘটিত হয় এবং ঘটনার পরপরই বাজারে সন্দেহভাজন কয়েকজনের গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়।
বাজার পরিচালনা কমিটির সক্রিয় তৎপরতায় ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় অভিযুক্ত চোরদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
আগামীকাল বুধবার (১৪ মে) চোরদের বাজার কমিটির কাছে আত্নসমর্পন করতে নির্দেশ প্রদান করা হয়।
দেশের সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও সমুদ্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিয়মিত টহল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ নৌবাহিনী বঙ্গোপসাগরে একটি সফল অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানে অবৈধভাবে মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দুটি ইঞ্জিনচালিত বোটসহ ২৩ জন চোরাকারবারিকে আটক করা হয়েছে।
বাংলাদেশ নৌবাহিনী সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সেন্টমার্টিন ও তৎসংলগ্ন এলাকায় টহল জোরদার করা হয়। টহলকালে কুতুবদিয়া বহিঃনোঙর এলাকা থেকে প্রায় ৪৬ নটিক্যাল মাইল দূরে দুটি সন্দেহজনক কাঠের বোট শনাক্ত করে নৌবাহিনীর জাহাজ শহীদ মহিবুল্লাহ। বোটদ্বয়কে থামার সংকেত দেওয়া হলে তারা পালানোর চেষ্টা করে।
পরবর্তীতে নৌবাহিনী জাহাজ ধাওয়া করে ‘এফবি আজিজুল হক’ ও ‘এফবি রুনা আক্তার’ নামের দুটি বোট আটক করে। তল্লাশি চালিয়ে বোট দু’টি থেকে ১ হাজার ৭৫০ বস্তা বাংলাদেশি ডায়মন্ড সিমেন্ট ও ৩২টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে চোরাকারবারি চক্রের ২৩ জন সদস্যকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা অধিক মুনাফার আশায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে সিমেন্টগুলো মায়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল বলে স্বীকার করেছে। উদ্ধারকৃত মালামাল ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পতেঙ্গা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বাংলাদেশ নৌবাহিনী জানিয়েছে, সমুদ্র ও উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চোরাচালান, মাদক পাচার, সন্ত্রাসী তৎপরতা ও অন্যান্য অপরাধ দমনে তাদের অভিযান ও টহল কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।





