Kratke hlače Stvoriti
জেলা প্রতিনিধি, বরগুনা।।
বরগুনা জেলার ইতিহাসে প্রথম নারী জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করা তাছলিমা আক্তার (Taslima Akter) অদ্য ৮ ডিসেম্বর আমতলীতে শুভ আগমন করেন।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি পরিদর্শন করেন—
আমতলী উপজেলা পরিষদ, আমতলী থানা, গুলিশাখালী ইউনিয়ন পরিষদ সহ গুলিশাখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
লালমনিরহাট কালীগঞ্জের চামটাহাটে মাদক সহ মোটরসাইকেল ফেলে পালালো ব্যবসায়ী। গোপনসূত্রের ভিত্তিতে জানানো সংবাদরে মাধ্যমে মাদক ব্যবসায়ী জনগনের হাত থেকে বাঁচতে বহনকৃত মাদক সহ মোটর সাইকেল ফেলে পালিয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী। অতঃপর কালীগঞ্জ থানা পুলিশ ফেলে রাখা মাদকসহ মোটরসাইকেল হেফাজতে নিয়ে আইনানূগ ব্যবস্থা করেন। মূলহোতা ব্যবসায়ীদের তদন্ত চলছে বলে জানান কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি।
বরিশালের বানারীপাড়ায় অকেজো হয়ে পড়ে আছে বাসস্ট্যান্ডের যাত্রী ছাওনি। এতে চড়ম দূর্ভোগে পড়েছে যাত্রীরা। বানারীপাড়া-বরিশাল স্বরূপকাঠি রুটের মধ্যবর্তী স্ট্যান্ড বানারীপাড়া বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী ছাওনি হয়ে পড়েছে। এক সময় এখানে ছিল একটি নির্দিষ্ট টিকিট কাউন্টার ও যাত্রীদের বসার জন্য যাত্রী ছাওনী। কিন্তু এখন অযত্ন, অবহেলায় অকেজো সেই টিকেট কাউন্টার যার কারনে চায়ের দোকানের সামনে অস্থায়ী টিকেট কাউন্টার থেকে টিকেট কাটতে হয়। এতে যাত্রীরা পড়েছে চড়ম দুর্ভোগে। কারন কাউন্টারের সামনে রয়েছে সদর রাস্তা। এখান থেকে মটর সাইকেল, মাহেন্দ্রা গাড়ি, অটো গাড়ি সহ সব গাড়ি চলা করে। একদিকে রাস্তায় জ্যামলেগে যায় অন্য দিকে টিকেট কাটতে গিয়ে অসাবধানতায় ঘটতে পারে দূর্ঘটনা। এছাড়াও পূর্বের টিকেট কাউন্টারটি সংস্কার করে পূনরায় চালু করা গেলে কমবে দূর্ঘটনার আশংকা তার সাথে কমবে যাত্রীদের দূর্ভোগ। অপর দিকে বাসের জন্য অপেক্ষার জন্য যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্দিষ্ট যাত্রীছাওনি থাকলেও অকেজো হয়ে পড়ে আছে দীর্ঘদিন যাবত টিকেট সংগ্রহ করে অপেক্ষার করতে হচ্ছে চায়ের দোকানে। বাস আসলে ঝুকি নিয়ে যাত্রীদের সাথে থাকা ব্যাগ ও বাচ্চাদের নিয়ে ব্যাস্ত রাস্তা পার হয়ে বাসে উঠতে হচ্ছে। এতে করে আরো বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের। তাই সাধারণ যাত্রীদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি টিকেট কাউন্টার ও যাত্রীছাওনী সংস্কার করে পূনরায় চালু করা গেলে কমবে যাত্রীদের দূর্ভোগ।
কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যাচ্ছে।
নভেম্বর মাসেই দুই শতাধিক মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন—যা স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলছে।উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বিভিন্ন ইউনিয়ন এবং বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর তথ্য বলছে—
গত দুই সপ্তাহে ডেঙ্গু উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিন ৮ থেকে ১২ জন রোগী চিকিৎসা নেওয়ায় আসছেন।
চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন— যাদের অবস্থা জটিল নয়, তাদের বাসায় থেকেই চিকিৎসার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।“দ্বীপাঞ্চলে আগে এত ডেঙ্গু দেখা যেত না। জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানা কারণে মশার বিস্তার বেড়েছে।
এখনই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার না হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।”





