চট্টগ্রামে ভূমিধসের আশঙ্কায় বায়েজিদ সড়কের এক পাশ বন্ধ চট্টগ্রামের বায়েজিদ সংযোগ সড়কে ভূমিধসের আশঙ্কায় পাঁচ দিন ধরে এক পাশ বন্ধ রাখা হয়েছে।চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের বায়েজিদ সংযোগ সড়কের একটি অংশ পাঁচ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে ভূমিধসের শঙ্কায়। স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা জানিয়েছেন, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ের ঢালু অংশ নরম হয়ে পড়েছে, ফলে সেখান থেকে মাটি ধসে পড়েছে সড়কের ওপর। এর ফলে সড়কটির এক পাশ দিয়ে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।সোমবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, খাঁড়া পাহাড় থেকে মাটি ধসে দুটি স্থানে জমে রয়েছে বড় আকারে। যে অংশ এখনো খোলা আছে, সেটিও ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়েছেন বাসিন্দারা।বর্ষা মৌসুমে চট্টগ্রামে ভূমিধসের ঘটনা নতুন নয়। ২০১৭ সালে চট্টগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় ভূমিধসে বহু প্রাণহানি ঘটে। তাই স্থানীয় প্রশাসন ও বিশেষজ্ঞরা ভূমিধস প্রতিরোধে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার গুরুত্ব আরোপ করছেন।চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও সড়ক বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাহাড়ের ঢালু অংশে বৃক্ষরোপণ ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেওয়া হলে ভূমিধসের ঝুঁকি কমানো যেতে পারে।ভূমিধসের সম্ভাব্য প্রভাব ও এলাকাবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। সচেতনতা বাড়ানো এবং প্রয়োজনীয় সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব। ভূমিধসের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে সতর্কতা জারি ও স্থানীয় জনগণের সাথে সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।পরিবেশবিদরা মনে করছেন, অবৈধভাবে পাহাড় কাটার কারণে এই ধরনের ঘটনা বাড়ছে, যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি। সরকারের উচিত কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা এবং জনসচেতনতা বাড়ানো। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জনজীবনের সুরক্ষায় এই ধরনের পদক্ষেপ অপরিহার্য।ট্যাগস: চট্টগ্রাম, ভূমিধস, সড়ক নিরাপত্তা, পরিবেশ, দুর্যোগ
চট্টগ্রামে ভূমিধসের শঙ্কা, বায়েজিদ সংযোগ সড়কের এক পাশ পাঁচ দিন ধরে বন্ধ.... | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও
চট্টগ্রামে ভূমিধসের শঙ্কা, বায়েজিদ সংযোগ সড়কের এক পাশ পাঁচ দিন ধরে বন্ধ....
ছবি: সংগৃহীত
No se encontraron comentarios