মেয়াদ শেষের পরও ‘রাকসু জিএস’ পরিচয়ে চিঠি দিলেন আম্মার, যা বললেন উপাচার্য v.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

মেয়াদ শেষের পরও ‘রাকসু জিএস’ পরিচয়ে চিঠি দিলেন আম্মার, যা বললেন উপাচার্য v..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
মেয়াদ শেষের পরও ‘রাকসু জিএস’ পরিচয়ে চিঠি দিলেন আম্মার, যা বললেন উপাচার্য v..
মেয়াদ শেষের পরও ‘রাকসু জিএস’ পরিচয়ে চিঠি দিলেন আম্মার, যা বললেন উপাচার্য v..
ছবি: সংগৃহীত
****

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পরিচয়ে চিঠি ইস্যু করেছেন সাবেক জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাকসুর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেতাউর রহমানকে পরবর্তী নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার বিষয়ে চিঠি দেন তিনি। এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উল ইসলাম।

রাকসুর কোষাধ্যক্ষকে দেওয়া চিঠিতে পরবর্তী রাকসু নির্বাচনের কার্যক্রমের অগ্রগতি ও নির্বাচনী তপশিল ঘোষণার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন আম্মার। তিনি উল্লেখ করেন, রাকসুর ষষ্ঠ অধিবেশনে পরবর্তী নির্বাচন আয়োজনের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম প্রস্তুত এবং খসড়া সংবিধান পর্যালোচনা, সংশোধন ও চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দায়িত্ব কোষাধ্যক্ষকে দেওয়া হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি বলে চিঠিতে অভিযোগ করেন তিনি।

চিঠিতে আরও বলা হয়, সম্প্রতি এক পত্রের মাধ্যমে সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য প্রতিনিধিদের আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে যাবতীয় ভাউচার জমা দেওয়া এবং নিজ নিজ দাপ্তরিক কক্ষ কোষাধ্যক্ষের দপ্তরের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম ও স্বচ্ছ জবাবদিহি নিশ্চিত করতে তাঁরা এ সিদ্ধান্ত মেনে নিতে প্রস্তুত বলেও উল্লেখ করেন আম্মার।

তিনি আরও লেখেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে রাকসু নির্বাচনের বিষয়ে তাঁরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বর্তমান প্রতিনিধিদের অন্যতম দায়িত্ব হলো শিক্ষার্থীদের জন্য পরবর্তী নির্বাচন নিশ্চিত করা। তাই আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তপশিল ঘোষণার মাধ্যমে দায়িত্ব হস্তান্তর ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

এর আগে গত ২৬ অক্টোবর রাকসুর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেতাউর রহমান সালাহউদ্দিন আম্মারকে একটি চিঠি দেন। সেখানে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী রাকসুর মেয়াদ ২৫ অক্টোবর শেষ হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

এ বিষয়ে সালাহউদ্দিন আম্মারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠিয়েও উত্তর পাওয়া যায়নি।

রাকসুর সহসভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, ‘রাকসুর আনুষ্ঠানিক কোনো ক্লোজিং হয়নি। ফলে এই জায়গা থেকে তিনি করতে পারেন। তবে চিঠিটা তিনি ব্যক্তিগতভাবে দিয়েছেন। এর সঙ্গে রাকসুর পূর্ণ বডির কোনো সংযুক্ততা নেই।’

অন্যদিকে, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেতাউর রহমান বলেন, আম্মার এখন সাবেক জিএস। তিনি কীভাবে জিএস পরিচয় দিয়েছেন, তা তাঁর জানা নেই। পাশাপাশি নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার এখতিয়ারও তাঁর নেই। এ দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের।

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উল ইসলাম বলেন, রাকসু নির্ধারিত সময়েই মেয়াদ পূর্ণ করেছে। এখন রাকসুর কারও পদবি ব্যবহারের সুযোগ নেই। জরুরি প্রয়োজনে পরিচয় দিতে হলে ‘সাবেক’ উল্লেখ করতে হবে।

রাকসুর হিসাব নিরীক্ষা প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, মেয়াদের শেষ সময়েও বড় অঙ্কের তহবিলসংক্রান্ত কিছু ফাইল অনুমোদন নেওয়া হয়েছিল। এ কারণে মেয়াদের মধ্যে অডিট সম্পন্ন হয়নি। এখন সব বিষয় সমন্বয় করে জমা দেওয়ার পর বিধি অনুযায়ী অডিট সম্পন্ন করা হবে।

পরবর্তী রাকসু নির্বাচন প্রসঙ্গে উপাচার্য জানান, সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার বড় আয়োজন রয়েছে। এ সময়ে নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে না। ভর্তি পরীক্ষার পর সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সুষ্ঠু পরিবেশে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

No comments found


News Card Generator