ট্রাম্পের নির্দেশের ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে বড় অভিযানের প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

ট্রাম্পের নির্দেশের ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে বড় অভিযানের প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
ট্রাম্পের নির্দেশের ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে বড় অভিযানের প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের..
ট্রাম্পের নির্দেশের ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে বড় অভিযানের প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের..
ছবি: সংগৃহীত
****

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশ পাওয়ার মাত্র ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালাতে প্রস্তুত রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা মার্কিন বাহিনী। মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের বরাতে এ চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে দেশটির শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য অভিযান পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সব সামরিক শক্তি ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করেছে ওয়াশিংটন। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এবারের হামলা কেবল ইরানের রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকেন্দ্র বা সাধারণ সামরিক স্থাপনায় সীমাবদ্ধ থাকবে না। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় রয়েছে দেশটির জ্বালানি অবকাঠামো ও গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোও।

এক মার্কিন কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেন, "এটি অত্যন্ত বড় ধরনের একটি সামরিক অভিযান হবে।" অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট বর্তমান ও সাবেক একাধিক কর্মকর্তার মতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই অভিযানের অনুমোদন দেবেন কি না, তা নিয়ে এখন আর সন্দেহ নেই; বরং মূল প্রশ্ন হলো—কবে তিনি সেই নির্দেশ জারি করবেন। তাঁদের ধারণা, চলতি বছর শেষ হওয়ার আগেই এই অভিযানের নির্দেশ আসতে পারে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরই সেই সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

পাল্টা হামলার আশঙ্কা ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তুতি

মার্কিন সামরিক কর্তাদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, ইরানের সামরিক বাহিনী এখন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধকৌশল সম্পর্কে আগের চেয়ে অনেক বেশি ওয়াকিবহাল। ফলে লক্ষ্যবস্তুগুলো শতভাগ ধ্বংস করা মার্কিন বাহিনীর জন্য চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। তা সত্ত্বেও মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) ও পেন্টাগন বিস্তৃত লক্ষ্যবস্তুর চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করছে।

অবশ্য ট্রাম্প এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেননি। অতীতেও তাঁকে বড় কোনো পদক্ষেপের পরিকল্পনা করে শেষ মুহূর্তে পিছিয়ে আসতে দেখা গেছে।

এদিকে মার্কিন গোয়েন্দাদের সাম্প্রতিক মূল্যায়নে সতর্ক করে বলা হয়েছে, নতুন করে আক্রমণ চালানো হলে ইরান এবং ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সমন্বিত পাল্টা আঘাত হানতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সেনা ও সামরিক স্থাপনা ছাড়াও বিশ্বজুড়ে মার্কিন কর্মীদের ওপর হামলার বড় ধরনের ঝুঁকি রয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও সম্ভাব্য উত্তেজনা মোকাবিলায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে মার্কিন কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে সৌদি আরবের রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের অনাবশ্যক কর্মীদের চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য মার্কিন দূতাবাসেও অনুরূপ নির্দেশনা জারি হতে পারে। পাশাপাশি অঞ্চলে নতুন করে অপ্রয়োজনীয় সেনাসদস্য পাঠাবে না বলেও জানিয়েছে পেন্টাগন।

Không có bình luận nào được tìm thấy


News Card Generator