ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগের নেতা সন্দেহে আটক হায়দার আলীকে নিজেদের কর্মী দাবি করে থানা থেকে ছাড়িয়ে নিয়েছেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে কোটচাঁদপুর থানায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, বুধবার বিকেলে কোটচাঁদপুর উপজেলার কুশনা ইউনিয়নের তালসার গ্রামের মৃত দলিল উদ্দিনের ছেলে হায়দার আলীকে আটক করে পুলিশ। তিনি কুশনা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক—এমন তথ্যের ভিত্তিতে তালসার পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা তাকে আটক করেন। পরে তাকে কোটচাঁদপুর থানায় নেওয়া হয়।
পরে রাত ৯টার দিকে স্থানীয় জামায়াতের নেতারা থানায় গিয়ে হায়দার আলীকে নিজেদের দলের সক্রিয় কর্মী বলে দাবি করেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২২ সাল থেকেই তিনি জামায়াতের সঙ্গে যুক্ত। এ সময় তারা হায়দার আলীর পক্ষে ইয়ানতের রসিদসহ দলীয় সভা-সমাবেশে অংশগ্রহণের বিভিন্ন প্রমাণ উপস্থাপন করেন।
পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা ও যাচাই-বাছাই শেষে পুলিশ হায়দার আলীকে ছেড়ে দেয়।
এ বিষয়ে কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, সোর্সের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হায়দার আলীকে আটক করা হয়েছিল। পরে স্থানীয় জামায়াতের নেতারা থানায় এসে তাকে নিজেদের কর্মী দাবি করে প্রমাণ দেখান। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তাকে জামায়াতের নেতাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
কোটচাঁদপুর পৌর জামায়াতের আমির আবদুল কাইয়ুম বলেন, “হায়দারকে ভুল তথ্যের ভিত্তিতে আটক করা হয়েছিল। তিনি আমাদের কর্মী। তার সব কাগজপত্র দাখিল করার পর পুলিশ যাচাই-বাছাই করে আমাদের কাছে দিয়েছেন।”
সূত্র: সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা ও স্থানীয় জামায়াত নেতার বক্তব্য।