পূজায় অংশ নেওয়া বা সমর্থন করা নিয়ে মুসলমানদের সতর্ক করলেন বায়তুল মোকাররমের খতিব.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

পূজায় অংশ নেওয়া বা সমর্থন করা নিয়ে মুসলমানদের সতর্ক করলেন বায়তুল মোকাররমের খতিব..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
পূজায় অংশ নেওয়া বা সমর্থন করা নিয়ে মুসলমানদের সতর্ক করলেন বায়তুল মোকাররমের খতিব..
পূজায় অংশ নেওয়া বা সমর্থন করা নিয়ে মুসলমানদের সতর্ক করলেন বায়তুল মোকাররমের খতিব..
ছবি: সংগৃহীত
****

অমুসলিমদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব উল্লেখ করে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতী আব্দুল মালেক বলেছেন, অন্য ধর্মের অনুসারীদের ধর্মীয় উৎসব পালনের নিরাপত্তা দেওয়া এবং তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসকে সমর্থন করা এক বিষয় নয়।

সম্প্রতি জুমার বয়ানে তিনি ইসলামের তাওহীদ ও শিরকবিষয়ক আকিদা তুলে ধরে এ বিষয়ে মুসলমানদের সতর্ক করেন।

অমুসলিমদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব

বয়ানে মুফতী আব্দুল মালেক বলেন, বাংলাদেশে বসবাসরত অন্যান্য ধর্মের অনুসারীদের নিজ নিজ ধর্ম পালনের অধিকার রয়েছে। তারা যেন নিরাপদে নিজেদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও উৎসব পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

তবে ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রশ্নে ইসলামের আকিদা অক্ষুণ্ন রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, অন্য ধর্মের অনুসারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসকে সঠিক বলে স্বীকৃতি দেওয়া এক বিষয় নয়।

তাওহীদ ও শিরক নিয়ে বক্তব্য

মুফতী আব্দুল মালেক বলেন, ইসলামের মূল ভিত্তি হলো তাওহীদ—অর্থাৎ এক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস ও তাঁরই ইবাদত করা। তাঁর বক্তব্যে শিরককে ইসলামের দৃষ্টিতে গুরুতর পাপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

তিনি বলেন, মানুষকে শিরক থেকে বিরত রেখে তাওহীদের পথে পরিচালিত করার জন্য আল্লাহ তাআলা যুগে যুগে নবী-রাসুল পাঠিয়েছেন।

খতিবের বক্তব্য অনুযায়ী, কোনো মুসলমান যদি পূজায় অংশ নেন কিংবা পূজার ধর্মীয় বিশ্বাসকে সত্য বা সঠিক বলে সমর্থন করেন, তাহলে তা ইসলামের মৌলিক আকিদার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে।

মহানবী (সা.)-এর ক্ষমার দৃষ্টান্ত তুলে ধরেন

বয়ানে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর তায়েফের ঘটনার উদাহরণ তুলে ধরেন মুফতী আব্দুল মালেক। তিনি বলেন, তায়েফে নির্যাতনের শিকার হওয়ার পরও মহানবী (সা.) প্রতিশোধের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের হেদায়েতের আশা করেছিলেন।

এই দৃষ্টান্ত তুলে ধরে তিনি মুসলমানদের নিজ ধর্মের মৌলিক বিশ্বাস অক্ষুণ্ন রাখার পাশাপাশি সমাজে শৃঙ্খলা, ন্যায়বিচার ও শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানান।

বয়ানে ধর্মীয় বিশ্বাসের স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখা এবং ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয় দুটি আলাদাভাবে তুলে ধরা হয়।

没有找到评论


News Card Generator