মাদকের আস্তানা বাঁশের লাঠি দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে: ইশরাক হোসেন.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

মাদকের আস্তানা বাঁশের লাঠি দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে: ইশরাক হোসেন..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
মাদকের আস্তানা বাঁশের লাঠি দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে: ইশরাক হোসেন..
মাদকের আস্তানা বাঁশের লাঠি দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে: ইশরাক হোসেন..
ছবি: সংগৃহীত
****

মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। এখন থেকে মাদকের আস্তানাগুলো বাঁশের লাঠি দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন ইশরাক। মাদকবিরোধী অভিযানের পর গণমাধ্যমের একাংশের ভূমিকার সমালোচনাও করেন তিনি। তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।

গণমাধ্যমের একাংশের সমালোচনা

ফেসবুক পোস্টে ইশরাক হোসেন অভিযোগ করেন, কিছু গণমাধ্যমে আইনজীবীদের প্যানেল থাকা সত্ত্বেও আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহারসংক্রান্ত আইনের ব্যাখ্যা উপেক্ষা করে সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে।

তিনি দাবি করেন, মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যমের সংবাদ প্রকাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে, ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে মাদক কারবারিদের স্বার্থসংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে তিনি কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ তুলে ধরেছেন কি না, তা পোস্টের বর্ণনা থেকে স্পষ্ট নয়।

মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি

পোস্টে ইশরাক হোসেন লেখেন, ‘ওয়েট অ্যান্ড সি’। তাঁর দাবি, যেসব মাদক কারবারি বা আস্তানার মালিক গণমাধ্যমকে অর্থায়ন করেন, তাঁদের আস্তানা মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হবে।

নিজের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার প্রসঙ্গ তুলে তিনি জানান, তাঁর কাছে বৈধ লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে।

মাদকবিরোধী অভিযানের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে ইশরাক লেখেন, এখন থেকে মাদকের আস্তানাগুলো বাঁশের লাঠি দিয়ে ধ্বংস করা হবে। পুলিশ সেখানে উপস্থিত থাকবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে আসামিদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়া হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মাদকবিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে পোস্টে তিনি বলেন, এই সংগ্রামের ‘১৬ কলা পূর্ণ করা হবে’।

অস্ত্র প্রদর্শন নিয়ে বিতর্কের মধ্যে নতুন বক্তব্য

এর আগে রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে ইশরাক হোসেনের উপস্থিতির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর একজন প্রতিমন্ত্রীর এভাবে অস্ত্র হাতে অভিযানে অংশ নেওয়া নিয়ে প্রশ্ন ও সমালোচনা শুরু হয়।

ইশরাক অবশ্য দাবি করেছেন, সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় আত্মরক্ষার জন্য তিনি অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেছিলেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, অস্ত্রটি বৈধ ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত।

এদিকে, অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় আইনের কোনো ব্যত্যয় হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। তদন্তে আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

לא נמצאו הערות


News Card Generator