ঝালকাঠিতে কৃষকের ৫০টি কলা গাছ কেটে সাবাড়: সালিশে স্বীকার, পরে অস্বীকার অভিযুক্তের.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

ঝালকাঠিতে কৃষকের ৫০টি কলা গাছ কেটে সাবাড়: সালিশে স্বীকার, পরে অস্বীকার অভিযুক্তের..

MD  IMRAN MUNSHI avatar   
MD IMRAN MUNSHI
ঝালকাঠিতে কৃষকের ৫০টি কলা গাছ কেটে সাবাড়: সালিশে স্বীকার, পরে অস্বীকার অভিযুক্তের..
ঝালকাঠিতে কৃষকের ৫০টি কলা গাছ কেটে সাবাড়: সালিশে স্বীকার, পরে অস্বীকার অভিযুক্তের..
ছবি: সংগৃহীত
কাঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে এক কৃষকের ফসলি জমি থেকে অমানবিকভাবে ৪০ থেকে ৫০টি ফলন্ত কলাগাছ কেটে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। শত্রুতাবশত নির্বিচারে গাছগুলো কেটে ফেলায় অর্থনৈতিকভাবে চরম ক্ষত..

 

মোঃ ইমরান মুন্সি,জেলা প্রতিনিধি (ঝালকাঠি):

ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে এক কৃষকের ফসলি জমি থেকে অমানবিকভাবে ৪০ থেকে ৫০টি ফলন্ত কলাগাছ কেটে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। শত্রুতাবশত নির্বিচারে গাছগুলো কেটে ফেলায় অর্থনৈতিকভাবে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন ভুক্তভোগী কৃষক।

​ভুক্তভোগী জমির মালিক অলিউল্লাহ অভিযোগ করে জানান, গত সপ্তাহে রাতের আঁধারে তাঁর কৃষি জমি থেকে হঠাৎ করেই নির্বিচারে এই বিপুল পরিমাণ ফলন্ত কলাগাছ কেটে সাবাড় করা হয়। জমি ও কৃষিকাজ দেখভালের দায়িত্বে থাকা মো. হাকিম জানান, স্থানীয় বাসিন্দা মো. ফারুক এই ন্যক্কারজনক ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত।

​ঘটনার পর কোনো তাৎক্ষণিক আইনি পদক্ষেপে না গিয়ে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সুরাহার ওপর ভরসা রাখেন জমির দেখভালকারী হাকিম। এরই প্রেক্ষিতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি—জনাব জয়নাল আবিদীন, জনাব জামাল মীর, ইউপি সদস্য দুলাল শরীফ, জনাব এমাদুল সিকদার এবং নুরুল ইসলাম ব্যাপারি সমন্বয়ে এক সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সালিশে অভিযুক্ত ফারুক আহমেদ উপস্থিত হয়ে নিজ মুখে কলাগাছ কাটার কথা স্বীকার করেন। তবে অপরাধ স্বীকার করলেও ভুক্তভোগী কৃষককে কোনো ধরনের জরিমানা বা ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকৃতি জানান তিনি।

​পরবর্তীতে সাংবাদিকরা সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও সালিশকারীদের সাথে কথা বলেন। প্রত্যক্ষদর্শী এবং সালিশগণ ফারুক আহমেদের গাছ কাটার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে মোবাইল ফোনে অভিযুক্ত ফারুক আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সালিশের স্বীকারোক্তি অস্বীকার করে দাবি করেন, তিনি অসুস্থ হয়ে বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন এবং গাছ কাটার সাথে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

​ফলন্ত কলাগাছ কেটে ফেলায় কৃষক অলিউল্লাহ ব্যাপকভাবে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। অনতিবিলম্বে এই অমানবিক ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

کوئی تبصرہ نہیں ملا


News Card Generator