সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ, রিমান্ড আবেদনের বিস্তারিত.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ, রিমান্ড আবেদনের বিস্তারিত..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ, রিমান্ড আবেদনের বিস্তারিত..
সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ, রিমান্ড আবেদনের বিস্তারিত..
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর পল্লবী ও বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তাকে চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট ক..

সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম।

রিমান্ড আবেদনে ডিবির বিস্ফোরক অভিযোগ

আদালতে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের জমা দেওয়া রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, গ্রেপ্তার হওয়া দুই সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও তাদের সহযোগীরা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা, তহবিল সংগ্রহ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি ও প্রচারের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত।

তদন্তকারী কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ করেন, আসামিরা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১১ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও ফেসবুক পেজ ব্যবহার করে সরকারবিরোধী কুৎসামূলক প্রচারণা চালিয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চালিয়েছেন। এছাড়া অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্যান্য পলাতক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে নিষিদ্ধ দলটির পুনর্বাসন ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। তাদের সঙ্গে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন চক্রান্তকারী ও গোয়েন্দা সংস্থার যোগাযোগের তথ্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আদালতে উভয় পক্ষের যুক্তি-তর্ক

শুনানিকালে রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর হারুন-অর-রশীদ আসামিদের সর্বোচ্চ রিমান্ড দাবি করে বলেন, “আসামিরা পলাতক সাবেক সেনাপ্রধান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছিলেন এবং দেশের অভ্যন্তরীণ গোপনীয় তথ্য পাচার করছিলেন। আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে দেশি-বিদেশি চক্রান্তের মূল রহস্য উন্মোচিত হবে।”

অন্যদিকে, আসামি দেবাশীষ কুমার বড়ুয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল মনসুর রিপন রিমান্ডের বিরোধিতা করে বলেন, আসামির বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ কোনো সহিংসতার অভিযোগ নেই। কাজী গুলশান আরার আইনজীবী অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান যুক্তি দেন যে, সাবেক সেনা কর্মকর্তা হিসেবে সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ থাকা বা সোশ্যাল মিডিয়ায় পেজ চালানো কোনো অপরাধ নয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পুলিশের বক্তব্য

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন জানান, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরেই ডিবির কঠোর নজরদারিতে ছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে রাষ্ট্রবিরোধী কনটেন্ট তৈরি এবং সাইবার অপরাধের মাধ্যমে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ার পরই এই অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

कोई टिप्पणी नहीं मिली


News Card Generator