গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস ভাঙতে চলেছে ৩০০ বছরের পুরোনো বেহালা! | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস ভাঙতে চলেছে ৩০০ বছরের পুরোনো বেহালা!

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস ভাঙতে চলেছে ৩০০ বছরের পুরোনো বেহালা!
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস ভাঙতে চলেছে ৩০০ বছরের পুরোনো বেহালা!
ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কের সোদাবি নিলামে উঠেছে তিনশ বছরেরও বেশি পুরোনো একটি বেহালা, যা গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বাদ্যযন্ত্রের রেকর্ড গড়তে চলেছে। ঐতিহ্যব
নিউইয়র্কের সোদাবি নিলামে উঠেছে তিনশ বছরেরও বেশি পুরোনো একটি বেহালা, যা গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বাদ্যযন্ত্রের রেকর্ড গড়তে চলেছে। ঐতিহ্যবাহী নির্মাণশৈলী ও কিংবদন্তি শিল্পীদের সংস্পর্শে থাকার কারণে এই বেহালাটি এক অমূল্য সম্পদে পরিণত হয়েছে। বিশ্ববিখ্যাত বেহালা নির্মাতা আন্তোনিও স্ট্রাডিভারির তৈরি "জোয়াকিম-মা স্ট্রাডিভারিয়াস" নামের এই বেহালাটি হতে যাচ্ছে সংগীত জগতের ইতিহাসের সবচেয়ে মূল্যবান বাদ্যযন্ত্র। নিলাম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি ১ কোটি ৮০ লাখ ডলার পর্যন্ত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী সবচেয়ে দামি বাদ্যযন্ত্রের খেতাব অর্জন করবে, যা ২০১১ সালে ১ কোটি ৫৯ লাখ ডলারে বিক্রি হওয়া "লেডি ব্লান্ট" বেহালার রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে। ৩০০ বছরের পুরোনো, তবু সময়ের সেরা! সোদাবির প্রধান মেরি ক্লদিয়া হিমেনেজ জানান, ১৭১৪ সালে তৈরি হলেও এই বেহালাটি এখনো সময়ের সেরা বেহালাগুলোর একটি। নির্মাণ ও সংরক্ষণ প্রক্রিয়ার কারণে এটি বিশেষজ্ঞদের বিস্মিত করছে। স্ট্রাডিভারি তার শিল্পকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান। তিনি বেহালার কাঠামো পরিবর্তন করেন এবং শব্দের গুণগত মান সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত করেন। স্ট্রাডিভারিয়াস বেহালাগুলোর জন্য তাই সংগীতপ্রেমীদের মধ্যে তীব্র চাহিদা রয়েছে। বিশ্ববিখ্যাত দুই শিল্পীর হাত ধরে ঐতিহ্য বেহালাটির মালিকানার ইতিহাসও অত্যন্ত ব্যতিক্রমী। এই ঐতিহাসিক বেহালাটি বিখ্যাত দুই সংগীতজ্ঞ, হাঙ্গেরীয় শিল্পী যোসেফ হোয়াকিম ও চীনা শিল্পী সি-হন মার মালিকানায় ছিল। হোয়াকিম ১৮৭৯ সালে "ভায়োলিন কনসার্তো ইন ডি মেজর"-এর প্রথম পরিবেশনায় এটি ব্যবহার করেছিলেন। এরপর ১৯৬৯ সালে এই বেহালাটি সংগ্রহ করেন চীনা শিল্পী সি-হন মা। তার মৃত্যুর পর বেহালাটি বোস্টনের নিউ ইংল্যান্ড কনজারভেটরি-তে দান করে দেয় তার পরিবার। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি এটি নিলামে তুলেছে এবং এর পুরো অর্থ শিক্ষার্থীদের বৃত্তির জন্য ব্যবহৃত হবে। সঙ্গীতপ্রেমীদের জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত এই বেহালার নিলাম শুধুমাত্র একটি বাদ্যযন্ত্র কেনাবেচার ঘটনা নয়, এটি ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশ্বব্যাপী সঙ্গীতপ্রেমীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এই নিলাম, যেখানে নতুন রেকর্ড গড়ার সম্ভাবনা প্রবল। সংগীত ও ঐতিহ্যের এই বিরল সংমিশ্রণ সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এখন দেখার পালা, ৩০০ বছরের পুরোনো এই বেহালাটি কি সত্যিই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস ভাঙতে পারে কিনা!
Nessun commento trovato


News Card Generator