জ্বালানি তেল বিতরণে স্বচ্ছতা ও আধুনিকায়ন নিশ্চিত করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার ৬৮টি ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলের জন্য ‘ফুয়েল পাশ’ অ্যাপ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সোমবার (৪ মে) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাসমূহ:
-
মোটরসাইকেল: তালিকাভুক্ত ৬৮টি স্টেশনেই অ্যাপ ব্যবহার বাধ্যতামূলক।
-
প্রাইভেট কার: তালিকার ১ থেকে ১৮ নম্বর ক্রমিকের স্টেশনগুলোতে প্রাইভেট কারের জন্য ফুয়েল পাশ ব্যবহার করতে হবে।
-
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: খুব শীঘ্রই ঢাকার সব ফিলিং স্টেশনে এই সিস্টেম বাধ্যতামূলক করা হবে।
-
রেজিস্ট্রেশন: গুগল প্লে-স্টোর থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করা যাবে অথবা fuelpass.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে নিবন্ধন সম্পন্ন করা যাবে।
যেসব স্টেশনে ফুয়েল পাশ বাধ্যতামূলক (শীর্ষ ২০টি):
ঢাকার প্রধান প্রধান এলাকা কাভার করা এই তালিকার উল্লেখযোগ্য কিছু স্টেশন হলো:
১. সোনার বাংলা সার্ভিস স্টেশন, আসাদগেট
২. ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন, তেজগাঁও
৩. গুলশান সার্ভিস স্টেশন, মহাখালী
৪. মেঘনা মডেল পাম্প, শাহবাগ
৫. নিকুঞ্জ মডেল সার্ভিস সেন্টার, নিকুঞ্জ
৬. খালেক সার্ভিস স্টেশন, দারুস সালাম, মিরপুর
৭. তালুকদার ফিলিং স্টেশন, আসাদ গেট
৮. করিম অ্যান্ড সন্স, শাপলা চত্বর
৯. ইউরেকা এন্টারপ্রাইজ, মহাখালী
১০. মাসুদ হাসান ফিলিং স্টেশন, এয়ারপোর্ট
১১. মেসার্স সততা অ্যান্ড কোম্পানি, তেজগাঁও
১২. মেসার্স দিগন্ত ফিলিং স্টেশন, মিরপুর-১৪
১৩. মেসার্স কামাল ট্রেডিং এজেন্সি, তেজগাঁও
১৪. মেসার্স এস.পি. ফিলিং স্টেশন, গাবতলী
১৫. সিটি ফিলিং স্টেশন, তেজগাঁও
১৬. সেবা গ্রিন ফিলিং স্টেশন, উত্তরা
১৭. স্যাম এসোসিয়েটস, মিরপুর-০২
১৮. সুমাত্রা ফিলিং স্টেশন, কালশী রোড
১৯. মেসার্স এ. হাই অ্যান্ড কোং, হাটখোলা রোড
২০. মেসার্স ডেনসো ফিলিং স্টেশন, দারুস সালাম
(সম্পূর্ণ ৬৮টি পাম্পের তালিকা মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে)
কেন এই উদ্যোগ?
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) এই কিউআর কোড ভিত্তিক অ্যাপটি চালুর ফলে বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে:
-
স্বচ্ছতা: তেল চুরির ভয় দূর হওয়া এবং সঠিক পরিমাণ নিশ্চিত করা।
-
ভোগান্তি হ্রাস: পাম্পগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি ও অনির্দিষ্ট সময়ের অপেক্ষা কমেছে।
-
আধুনিকায়ন: ম্যানুয়াল পদ্ধতির বদলে ডিজিটাল ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু হওয়া।
গত ৯ এপ্রিল থেকে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হওয়া এই ‘ফুয়েল পাশ’ সিস্টেমটি এখন ঢাকার বড় একটি অংশে স্থায়ী রূপ নিলো।