দেশের ভূখণ্ডে সাইবার হুমকি মোকাবিলায় তিনি গড়ে তুলেছেন একটি দৃঢ় অবস্থান, যার নাম Cyber Positive BD — একটি উদ্ভাবনী ও সচেতনতা-নির্ভর আইটি প্রতিষ্ঠান।
ইমন হাসান তার পথচলা শুরু করেছিলেন নিছক একটি স্বপ্ন থেকে—নিজের দেশকে ডিজিটাল অপরাধ ও সাইবার হামলার বিপদ থেকে রক্ষা করা। আজ সেই স্বপ্নই পরিণত হয়েছে এক বিশাল উদ্যোগে। তার নেতৃত্বে বর্তমানে এই এজেন্সিতে ১০০+ দক্ষ তরুণ কাজ করছেন, যারা দেশের সাইবার প্রতিরক্ষা জোরদারে নিরলস ভূমিকা রেখে চলেছেন।
দেশপ্রেমের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা একটি মিশন
ইমন মনে করেন, প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে দেশের নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। এ লক্ষ্যেই তিনি Cyber Positive BD-এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিকে সাইবার ঝুঁকি থেকে রক্ষার জন্য কারিগরি সহায়তা ও প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছেন।
তার ভাষায়,
আমরা শুধু সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করি না, বরং সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে মানুষের মনে নিরাপত্তার বোধ জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করি।”
আন্তর্জাতিক পর্যায়েও সক্রিয় ভূমিকা
শুধু দেশের ভেতরেই নয়, ইমন হাসান ইতোমধ্যেই ভারতসহ বিভিন্ন দেশের আইটি বিশেষজ্ঞ ও সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্টদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছেন। এ ধরনের আন্তর্জাতিক সমন্বয় সাইবার সুরক্ষায় বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়াচ্ছে এবং বিশ্বদরবারে দেশের ভাবমূর্তিকেও আলোকিত করছে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সচেতনতা কার্যক্রম
তরুণ সমাজকে সাইবার জগতের বিপদ সম্পর্কে সচেতন করতে ইমন ও তার দল স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক সেমিনার ও কর্মশালা চালু করেছে। তাদের লক্ষ্য, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন ইন্টারনেট নিরাপত্তার গুরুত্ব বুঝে এবং নিজেদের ডিজিটাল অস্তিত্ব রক্ষা করতে পারে।
রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা প্রত্যাশা
ইমন হাসান মনে করেন,
যদি রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা ও নীতিগত সহায়তা পাওয়া যায়, তাহলে আমরা বাংলাদেশের সাইবার সুরক্ষাকে আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছে দিতে পারি, ইনশাআল্লাহ।”
তার এই নিরন্তর প্রয়াস, নেতৃত্বগুণ ও দায়বদ্ধতা নিঃসন্দেহে তাকে তরুণ সমাজের জন্য এক অনুপ্রেরণায় পরিণত করেছে।