close

ভিডিও আপলোড করুন পয়েন্ট জিতুন!

তালতলীতে যৌতুক দাবিতে স্ত্রীকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যাচেষ্টার মামলা..

MD .KHALED MOSHARRAF SHOHEL avatar   
MD .KHALED MOSHARRAF SHOHEL
জেলা প্রতিনিধি , বরগুনা।।
যৌতুক দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় স্ত্রীকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে স্বামীসহ তিনজনকে আসামি করে আদালতে একটি মামলা করা হয়েছে। মঙ্গলবার বরগুনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূর বাবা মো. নান্নু মিয়া।
ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. ওসমান গনি মামলাটি গ্রহণ করে বরগুনার তালতলী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষকে সাত দিনের মধ্যে অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী মো. বায়েজিদ হোসেন হৃদয় (২৮)। অপর আসামিরা হলেন- হৃদয়ের বাবা মো. আবু বকর আকন ও মা মোসা. হালিমা। তাঁদের বাড়ি বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার শারিকখালী গ্রামে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাবলিক প্রসিকিউটর রনজুয়ারা সিপু।
মামলার সূত্রে জানা যায়, বাদী মো. নান্নু মিয়া একই ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি ২০২০ সালে তাঁর একমাত্র মেয়েকে হৃদয়ের সঙ্গে বিয়ে দেন এবং বিয়ের সময় কয়েক লাখ টাকার স্বর্ণালংকার দেন। ভুক্তভোগী গৃহবধূ একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় চাকরি করতেন এবং তাঁর বেতনের টাকাও হৃদয় নিতেন। ডিস ব্যবসার জন্য হৃদয়কে পাঁচ লাখ টাকা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য আবারও পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন হৃদয়।
অভিযোগে বলা হয়, চলতি মাসের ১ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টার দিকে হৃদয় তাঁর স্ত্রীর কাছে পুনরায় পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। স্ত্রী যৌতুক দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রথমে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তর্ক হয়। একপর্যায়ে হৃদয় উত্তেজিত হয়ে স্ত্রীকে মারধর করেন। স্ত্রী চিৎকার দিলে হৃদয় গলা চেপে ধরে এবং মুখে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যাচেষ্টা চালায়। কৌশলে গৃহবধূ বালিশ সরিয়ে আরও জোরে চিৎকার করলে হৃদয়ের মা প্রথমে তাঁদের ১০ মাসের শিশুকে পাশে রেখে যান এবং পরে হৃদয়ের মা ও বাবা ফিরে এসে মারধরে অংশ নেন। তিনজন মিলে গৃহবধূকে বেধড়ক মারধর ও হত্যাচেষ্টা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এদিকে, হৃদয়কে কয়েক বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
 
Không có bình luận nào được tìm thấy


News Card Generator