close

ভিডিও দেখুন, পয়েন্ট জিতুন!

সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিন সংকট, কুকুর–বিড়ালের কামড়ে বিড়ম্বনায় জনগন ..

MOHAMMAD JAMSHED ALAM avatar   
MOHAMMAD JAMSHED ALAM
সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিন সংকট, কুকুর–বিড়ালের কামড়ে বিড়ম্বনায় জনগন 
সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিন সংকট, কুকুর–বিড়ালের কামড়ে বিড়ম্বনায় জনগন 
 
মোহাম্মদ জাম‌শেদ আলম,
সীতাকুণ্ড প্রতি‌নি‌ধি :

সীতাকুণ্ডের সরকারি হাসপাতালগুলোতে কুকুর ও বিড়াল কামড়ের পর বিনামূল্যে ভ্যাকসিন পাওয়ার নিয়ম থাকলেও বাস্তবে তা মিলছে না। বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) একদিনেই প্রায় অর্ধশতাধিক রোগীকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন না দিয়ে বাইরে থেকে নিজ খরচে কিনে আনতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, হাসপাতালগুলোতে রোগীরা নিজের টাকায় ভ্যাকসিন কিনে এনে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদের দিলে তবেই খাতায় এন্ট্রি করে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হচ্ছে।

কুকুর কামড়ে আক্রান্ত লুসাইবা নামে এক রোগী প্রতিবেদককে জানান, তিনি মিরসরাই থে‌কে ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি হাসপাতালে গিয়ে ১০ টাকায় টিকিট কেটে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। চিকিৎসক তাকে তিনটি ইনজেকশন লিখে দেন। কিন্তু ইনজেকশন দেওয়ার জন্য নার্সের কক্ষে গেলে কর্তব্যরত নার্স তাকে বাইরে থেকে ভ্যাকসিন কিনে আনার জন্য একটি টোকেন ধরিয়ে দেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সরা বিরক্ত হন। শেষ পর্যন্ত তিনিসহ প্রায় অর্ধশতাধিক রোগী নিজ খরচে বাইরে থেকে ভ্যাকসিন কিনে এনে নার্সদের হাতে দিলে তবেই তা প্রয়োগ করা হয়।

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও বর্তমানে কুকুর ও বিড়াল কামড়ের ভ্যাকসিন মজুত নেই। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আলতাফ হোসেন জানান, প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিনের জন্য ঢাকায় চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। তবে সাপে কাটা রোগীদের জন্য অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে বলে তিনি জানান।

সরকারিভাবে ভ্যাকসিন কেন দেওয়া হচ্ছে না—এ বিষয়ে জানতে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে কর্তব্যরত নার্সরা জানান, প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিনের সরবরাহ না থাকায় তারা বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দিতে পারেননি।

এ ঘটনায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। দ্রুত সরকারি ভ্যাকসিন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। তবে এ বিষয়ে জানতে পরিচালক (স্বাস্থ্য) চট্টগ্রাম এবং সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের পরিচালকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি

コメントがありません


News Card Generator