ছাত্র রাজনীতির হাত ধরেই তার রাজনৈতিক যাত্রা। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল-এর সক্রিয় কর্মী হিসেবে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়ে নিজেকে প্রমাণ করেন। পরবর্তীতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল-এর সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে গতিশীল করতে ভূমিকা রাখেন। দলীয় দুঃসময়ে মাঠে সক্রিয় থাকা নেত্রী হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে।
নারী ও শিশু অধিকার ইস্যুতেও তিনি সরব ছিলেন। ‘নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম’ সিলেট জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে সামাজিক সচেতনতা ও আইনি সহায়তামূলক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হন। স্থানীয় পর্যায়ে নির্যাতিত নারীদের পাশে দাঁড়ানো ও আইনি পরামর্শ দেওয়ার মাধ্যমে তিনি আলাদা গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেন।
জনপ্রতিনিধি হিসেবে জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালনকালে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা তার রাজনৈতিক প্রোফাইলকে আরও শক্তিশালী করে। পাশাপাশি উপজেলা পরিষদ অ্যাসোসিয়েশনের আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে নীতিগত ও আইনি বিষয়েও সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি এম.সি কলেজ থেকে দর্শনে বিএ (অনার্স) এবং সিলেট ল’ কলেজ থেকে এলএলবি সম্পন্ন করেন। বর্তমানে সিলেট জেলা শিক্ষানবিশ আইনজীবী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক সংস্থা Democracy International-এর পলিটিক্যাল ফেলো হিসেবে প্রশিক্ষণ গ্রহণ তার নেতৃত্বের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে।
তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতে, সংরক্ষিত মহিলা আসনে শুধু প্রতীকী প্রতিনিধি নয়, বরং সক্রিয় ও সংগ্রামী নেতৃত্ব প্রয়োজন—যিনি মাঠের রাজনীতি বোঝেন এবং নারীর অধিকার প্রশ্নে আপসহীন অবস্থান নিতে পারেন। তাদের দাবি, পলিনা রহমানকে মনোনয়ন দেওয়া হলে তা শুধু ব্যক্তিগত স্বীকৃতি নয়, বরং তৃণমূলের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পরিশ্রমের মূল্যায়ন হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও মনে করছেন, তৃণমূলভিত্তিক নেতৃত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলে তা সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি আগামী দিনের রাজনীতিতে ইতিবাচক বার্তা দেবে।
close
কমেন্ট করুন পয়েন্ট জিতুন!
সংরক্ষিত মহিলা আসনে পলিনা রহমান: তৃণমূলের আস্থার প্রতীক, নেতৃত্বে নতুন প্রত্যাশা..
Geen reacties gevonden



















