প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী, দিনাজপুর–৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান মিয়া, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী, দিনাজপুর জেলার সাবেক আমির ও চিরিরবন্দর উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন মোল্লা এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আনোয়ার হোসেন, প্রতীক হাতপাখা এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী নুরুল ইসলাম, প্রতীক লাঙ্গল।
মাঠপর্যায়ের চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীরা সমান তালে ভোটের মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন নেতাকর্মীরা সবচেয়ে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন মূল দুই প্রার্থী। দুই পক্ষের প্রচারণা, কর্মীসংখ্যা, সভা-সমাবেশের উপস্থিতি এবং গণসংযোগের তৎপরতা অন্যদের তুলনায় বেশি চোখে পড়ছে বেশি।
প্রার্থীদের পক্ষে নিয়মিত পথসভা, উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ চলছে সমান তালে। দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে এলাকায় বেশ প্রাণচাঞ্চল্য দেখা যাচ্ছে।
সাধারণ মানুষের ভাষ্য “এবারের নির্বাচন অনেক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। এখন পর্যন্ত যেভাবে প্রচারণা চলছে, তাতে ধানের শীষ আর দাঁড়িপাল্লার মধ্যেই মূল লড়াই হবে বলে মনে করছেন অনেকেই।”
অন্যদিকে হাতপাখা প্রতীকের আনোয়ার হোসেন এবং লাঙ্গল প্রতীকের নুরুল ইসলামও নিয়মিত প্রচারণায় দেখা না গেলেও, শক্তিমত্তার দিক থেকে তারা তুলনামূলক পিছিয়ে রয়েছেন অনেক। তবে শেষ মুহূর্তের ভোটের হিসাব যে সমীকরণ বদলে দিতে পারে, তা উড়িয়ে দিচ্ছেন না সাধারণ ভোটারগণ।
খানসামা উপজেলা নির্বাচন অফিসার মজিদুল ইসলাম সূত্রে জানা গেছে, খানসামা উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৫৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭৭ হাজার ৫২২ জন, নারী ভোটার ৭৬ হাজার ৪৩৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ জন।
চিরিরবন্দর উপজেলা নির্বাচন অফিসার আব্দুস সবুর সূত্রে জানা গেছে, চিরিরবন্দর উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৬৭ হাজার ৩১৯ জন। তবে পুরুষ ও নারী ভোটারের পৃথক সংখ্যা সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। এ উপজেলায় তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ জন।
এই দুই উপজেলা নিয়ে গঠিত দিনাজপুর–৪ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ২১ হাজার ২৭৮ জন। নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে নির্ধারিত তারিখে, সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ব্যালটের মাধ্যমে।
সব মিলিয়ে, দিনাজপুর–৪ আসনে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার মধ্যেই মূল লড়াই হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে শেষ মুহূর্তের ভোটের হিসাব যে সমীকরণ বদলে দিতে পারে, তা উড়িয়ে দিচ্ছেন না রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।



















