close

লাইক দিন পয়েন্ট জিতুন!

সীতাকুণ্ডে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি

MOHAMMAD JAMSHED ALAM avatar   
MOHAMMAD JAMSHED ALAM
সীতাকুণ্ডে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি
সীতাকুণ্ডে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে আলোচিত মানসিক প্রতিবন্ধী বেলাল হত্যা মামলার কথিত প্রধান সন্দেহভাজন, চিহ্নিত চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি গাঁজাটি সুমনের প্রকাশ্য হত্যার হুমকিতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন মীরেরহাট বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সাংবাদিক মোহাম্মদ জামশেদ আলম।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আলোচিত বেলাল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে পরবর্তীতে একটি মাদক মামলায় কারাভোগ শেষে জামিনে মুক্তি পেয়ে গাজাটি সুমন এলাকায় ফিরে পুনরায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, সে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে। এসব হুমকির প্রধান লক্ষ্যবস্তু সাংবাদিক মোহাম্মদ জামশেদ আলম, যিনি বেলাল হত্যা মামলায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও প্রতিবাদের পক্ষে ধারাবাহিকভাবে সরব ভূমিকা পালন করে আসছেন।

হত্যার হুমকি প্রসঙ্গে সাংবাদিক মোহাম্মদ জামশেদ আলম জানান, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারি গাঁজাটি সুমন প্রকাশ্যে তার নাম ধরে হত্যার হুমকি দিচ্ছে এবং তার বসতবাড়িতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখাচ্ছে। এতে তিনি নিজে ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। প্রাণনাশের আশঙ্কায় তিনি সীতাকুণ্ড মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন (জিডি নং–১১৫৩, তারিখ: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬)।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, কথিত বেলাল হত্যা মামলার আসামি প্রকাশ্যে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে প্রতিনিয়ত। প্রতিবাদকারীদের লক্ষ্য করে বাজারে অকথ্য ভাষায় গালাগাল, পাশাপাশি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের ঘটনাও ঘটছে। এতে নিহতের পরিবার, বাজারের ব্যবসায়ী, সাধারণ মানুষসহ একজন সাংবাদিকের জীবন মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৮ নভেম্বর গভীর রাতে সীতাকুণ্ডের মীরেরহাট বাজারে ঘুমন্ত অবস্থায় মানসিক প্রতিবন্ধী বেলাল হোসেনকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে ধারণা করে। পরবর্তীতে হত্যার সন্দেহভাজন হিসেবে সন্ত্রাসী গাজাটি সুমনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তাকে মাদক (গাঁজা) মামলায় আদালতে প্রেরণ করা হয়। ওই মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়ে সে বেলাল হত্যা বিরুদ্ধে যারা প্রতিবাদ ও ভূমিকা রেখেছে, তাদের বিরুদ্ধে একের পর এক দুটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সচেতন মহলের মতে, একজন সাংবাদিককে হত্যার হুমকি কেবল ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয় নয়; এটি স্বাধীন সাংবাদিকতা, ন্যায়বিচার ও সমাজের সামগ্রিক নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত।

نظری یافت نشد


News Card Generator