close

কমেন্ট করুন পয়েন্ট জিতুন!

শরীয়তপুরে ককটেল বোমা তৈরির সরঞ্জামসহ তিন জন গ্রেপ্তার

RAFIQUL ISLAM avatar   
RAFIQUL ISLAM
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে ককটেল বোমা তৈরির সরঞ্জাম, বিস্ফোরক দ্রব্য ও দেশীয় অস্ত্রসহ তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।..

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে ককটেল বোমা তৈরির সরঞ্জাম, বিস্ফোরক দ্রব্য ও দেশীয় অস্ত্রসহ তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় কয়েকটি তৈরি ককটেলও উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

 

জাজিরা থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার একটি ইউনিয়নের (সম্ভবত কুণ্ডের চর বা সংলগ্ন এলাকা) একটি বাড়িতে যৌথ বাহিনী অভিযান চালায়। অভিযানকালে বোমা তৈরির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম, বিস্ফোরক উপাদান, ককটেল তৈরির কাঁচামাল এবং কয়েকটি প্রস্তুত ককটেল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ৩ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন এলাকায় বোমা তৈরির কারিগর হিসেবে পরিচিত বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে। তাদের নাম ও পরিচয় পুলিশ এখনো প্রকাশ করেনি, তবে তারা এলাকার রাজনৈতিক সংঘর্ষ ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

এর আগে গত জানুয়ারি মাসে জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নে ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণে একাধিক ব্যক্তি নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পর থেকে যৌথ বাহিনী (পুলিশ, র‌্যাব, সেনাবাহিনী ও বোমা ডিসপোজাল ইউনিট) এলাকায় একাধিক অভিযান চালিয়ে শতাধিক ককটেল, হাতবোমা ও তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। গত কয়েক সপ্তাহে নড়িয়া ও জাজিরা উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ৪৫ থেকে ৯৫টি ককটেল উদ্ধারের ঘটনাও ঘটেছে, যার সঙ্গে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের যোগসূত্র রয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

 

জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহমেদ বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বোমা তৈরির সিন্ডিকেট, সরবরাহকারী চক্র ও তাদের সহযোগীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

 

এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশ জানিয়েছে। স্থানীয়রা এলাকায় অস্ত্র ও বিস্ফোরকের মজুত নিয়ে আতঙ্কিত। কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারি ও অভিযানের দাবি জানিয়েছেন তারা।

نظری یافت نشد


News Card Generator