রাজধানীর বনানী কড়াইল এলাকায় বিটিসিএল কলোনির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জড়িয়ে একটি নামসর্বস্ব অনলাইন পোর্টালে মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ উঠেছে। একটি চিহ্নিত চাঁদাবাজ চক্র নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে না পেরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। গত রবিবার (০১ ফেব্রুয়ারি) বিটিসিএল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় বিটিসিএলের আইটি অ্যান্ড বিল্ডিং কোয়ার্টার নগর শাখার বার্তাবাহক মো. শহীদুল ইসলাম, টেলিযোগাযোগ শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সাবেক শীর্ষ নেতা মো. খোরশেদ আলম ও মো. মিল্টন মিয়ার বিরুদ্ধে সম্প্রতি একটি পোর্টালে বানোয়াট তথ্য প্রকাশ করা হয়। সাধারণ কর্মচারীদের দাবি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কেবল তাদের সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এমন অসত্য সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে।
বিটিসিএলের সাধারণ কর্মচারীরা অভিযোগ করেন, তথ্য যাচাই না করে মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এর নেপথ্যে রয়েছে একটি প্রভাবশালী চাঁদাবাজ চক্র। যারা বিভিন্ন সময়ে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে এখন অপপ্রচারের পথ বেছে নিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান তারা।
অপপ্রচারের শিকার বিটিসিএল কর্মীরা জানান, তারা কোনো ধরনের ব্ল্যাকমেইল বা হুমকির কাছে নতিস্বীকার করবেন না। ইতোমধ্যে অভিযুক্ত পোর্টাল ও এর পেছনে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও মানহানির অভিযোগে আইনি নোটিশ প্রদানের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানা গেছে।
ভুক্তভোগীরা বলেন, "সত্য প্রতিষ্ঠায় আমরা শেষ পর্যন্ত আইনি লড়াই চালিয়ে যাব। ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সম্মান নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অধিকার কারও নেই।"



















