তারিখ: ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রতিনিধি: গলাচিপা (পটুয়াখালী)
পটুয়াখালী–৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনে নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের জনসভায় নানা রাজনৈতিক বার্তা উঠে এসেছে। তিনি দাবি করেন, ধর্ম-বর্ণ ও নারী-পুরুষ নির্বিশেষে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ “জনগণের মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার অঙ্গীকারে” ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন।
রবিবার বিকেল ৪টায় গলাচিপা মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাসান মামুন বলেন, তারা উন্নয়ন পরিকল্পনাকে সামনে রেখে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। ফেরিঘাট ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ জনস্বার্থবিরোধী কোনো কার্যক্রম প্রতিহত করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের অধিকার সমান। সাম্প্রদায়িক উস্কানির বিরুদ্ধে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি, প্রতিটি ঘটনার বিচার হবে।”দলীয় মনোনয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুরুতে মনোনয়ন নিয়ে জটিলতা তৈরি হয় এবং একপর্যায়ে দলীয় সিদ্ধান্তে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন। তিনি জানান, দল থেকে পদত্যাগের পরও তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তবুও তিনি নির্বাচনী লড়াইয়ে থাকার সিদ্ধান্তে অটল।
হাসান মামুন অভিযোগ করেন, তার কর্মী-সমর্থকদের ওপর হয়রানি ও অপপ্রচার চলছে। তবে তিনি বলেন, “জনসমুদ্রের উত্তাল ঢেউ বালু দিয়ে আটকে রাখা যায় না।” ভোটারদের উদ্দেশে তিনি নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান।
সভায় সভাপতিত্ব করেন তার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমান। বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সাত্তার হাওলাদার, অ্যাডভোকেট মো. শামীম, সাংবাদিক ইশরাত হোসেন লিপটন, অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান হিরন, সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ডলি খানমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
জনসভা শেষে হাসান মামুনের নেতৃত্বে গলাচিপা পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কে একটি নির্বাচনী শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়।



















