বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের মাধ্যমে Bangladesh Nationalist Party (বিএনপি) সরকার গঠন করতে যাচ্ছে এবং দলটির চেয়ারম্যান Tarique Rahman প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। প্রায় ৩৫ বছর পর দেশে একজন পুরুষ প্রধানমন্ত্রী আসছেন—এটি যেমন ঐতিহাসিক, তেমনি আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো—প্রথমবারের মতো ঢাকা থেকে নির্বাচিত একজন ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন।
তারেক রহমান সাবেক প্রধানমন্ত্রী Khaleda Zia-এর জ্যেষ্ঠ পুত্র এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক রাষ্ট্রপতি Ziaur Rahman-এর সন্তান। পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম, কৌশল নির্ধারণ এবং নেতৃত্ব বিকাশে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। ২০১৮ সাল থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দলকে পুনর্গঠন ও নির্বাচনী প্রস্তুতিতে নেতৃত্ব দেন।
দলীয় সূত্রগুলো বলছে, প্রার্থী বাছাই, জোট গঠন ও নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণে তারেক রহমানের সরাসরি দিকনির্দেশনা ছিল। ফলে এবারের বিজয়কে অনেকেই “কৌশলগত ও সংগঠনিক সাফল্য” হিসেবে দেখছেন।
ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের সর্বশেষ পুরুষ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন Kazi Zafar Ahmed (১৯৮৮)। এরপর দীর্ঘ সময় দেশ পরিচালনা করেছেন দুই নারী নেতা—খালেদা জিয়া ও Sheikh Hasina। সেই ধারাবাহিকতার পর আবার পুরুষ নেতৃত্বে সরকার গঠনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
তারেক রহমান ইতোমধ্যে দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি “ক্লিন পলিটিক্স” ও অধিকারভিত্তিক শাসন কাঠামো গড়ে তোলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন—যা সমর্থকদের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছে।
নতুন নেতৃত্বে সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা, অংশগ্রহণমূলক শাসন এবং সংস্কারধারার সূচনা হবে—এমন আশাবাদ প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।



















