গত রবিবারের সমাবেশে বক্তব্যে নুরুল ইসলাম মণি বলেন, পাথরঘাটা–বামনা–বেতাগী তার জন্মভূমি এবং তিনি নিজেকে এই মাটির সন্তান হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি দাবি করেন, পাথরঘাটার মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে সমাবেশকে জনসমুদ্রে পরিণত করেছেন, যা স্থানীয় রাজনৈতিক ইতিহাসে বিরল।
তিনি বলেন, নারীদের সম্মান ও স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করা, তরুণদের বেকারত্ব দূর করা, জেলে ও কৃষকদের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধান এবং ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা বিএনপির অগ্রাধিকার হবে। নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়ে তিনি নদীভাঙন রোধে কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
এছাড়া তিনি পাথরঘাটা–বামনা–বেতাগী অঞ্চলে ডিপ সি পোর্ট, পর্যটন কেন্দ্র এবং ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন, যাতে স্থানীয় মানুষ নিজ এলাকাতেই জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন।
সমাবেশে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। বক্তারা আসন্ন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
উক্ত সমাবেশে নুরুল ইসলাম মণি বলেন, “সুখে-দুঃখে, লড়াই-সংগ্রামে আমি আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকব। কথায় নয়, কাজে প্রমাণ করে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।”
পাথরঘাটা–বামনা–বেতাগী আমার জন্মভূমি। আমি আপনাদেরই একজন—এই মাটির সন্তান। আজ পাথরঘাটার মানুষ যে ভালোবাসা আর অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই মহাসমাবেশকে ইতিহাসে পরিণত করেছে, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। এত বিশাল জনসমুদ্র পাথরঘাটা আগে কখনো দেখেনি। আপনাদের এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, আস্থা ও সমর্থনের জন্য আমি হৃদয়ের গভীর থেকে কৃতজ্ঞ।
ইনশাআল্লাহ ধানের শীষের বিজয়ের মধ্য দিয়েই বদলে যাবে আগামীর বাংলাদেশ। এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে উঠবে, যেখানে নারীরা হবে স্বাবলম্বী ও সম্মানিত, কোনো তরুণকে বেকারত্বের বোঝা বয়ে বেড়াতে হবে না। জেলেদের দীর্ঘদিনের সকল সমস্যার সমাধান হবে, কৃষকদের ন্যায্য অধিকার ও জীবনমান নিশ্চিত করা হবে।
নদীভাঙনে যারা প্রতিনিয়ত সর্বস্ব হারাচ্ছে, তাদের পাশে আমরা দৃঢ়ভাবে দাঁড়াবো। নদীভাঙন রোধে কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ডিপ সি পোর্ট, পর্যটন কেন্দ্র ও ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে, যাতে এই অঞ্চলের মানুষ নিজের এলাকাতেই সম্মানের সঙ্গে জীবিকা নির্বাহ করতে পারে।
ইনশাআল্লাহ আমি আপনাদের সাথে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব। সুখে-দুঃখে, লড়াইয়ে-সংগ্রামে আপনাদের পাশে থেকে একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতেই আমার এই পথচলা।
স্বপ্ন আমাদের একটাই—
কথায় নয়, কাজে প্রমাণ করব।
গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। 🇧🇩
জনগণের এই ভালোবাসাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।



















