২২৫ ফুট উচ্চতার যে টাওয়ারটি হওয়ার কথা ছিল ভোলার পর্যটনের প্রাণকেন্দ্র, বর্তমানে সেটি নিজেই ধুঁকছে নানাবিধ সমস্যায়। টাওয়ারের প্রবেশপথ থেকে শুরু করে চারপাশের এলাকা এখন বালু আর ধুলোর রাজ্যে পরিণত হয়েছে।
টাওয়ারের ভেতরে এবং কাঁচের দেয়ালে জমেছে ধুলোর মোটা আস্তরণ, যা নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না বলে অভিযোগ দর্শনার্থীদের। আধুনিক এই স্থাপনার লিফট এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও আগের মতো সচল নয় বলে দাবি অনেকের।
যেখানে প্রতিদিন হাজারো মানুষের ভিড় হওয়ার কথা, সেখানে অব্যবস্থাপনার কারণে পর্যটন মৌসুমেও দর্শনার্থীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমছে।
বিরক্তি প্রকাশ করে একজন পর্যটক বলছেন
"অনেক শখ করে দূর থেকে টাওয়ারটা দেখতে আসলাম। কিন্তু এখানে এসে দেখি সব জায়গায় ধুলোবালি। টাওয়ারের ওপর থেকে কাঁচের ভেতর দিয়ে বাইরের দৃশ্য স্পষ্ট দেখাই যায় না। সব জায়গায় একটা অযত্নের ছাপ।"
কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই জাতীয় সম্পদ রক্ষায় কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। কেবল নামমাত্র তদারকি নয়, বরং নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং দ্রুত রাস্তা সংস্কারের মাধ্যমেই ফিরিয়ে আনা সম্ভব চরফ্যাশন টাওয়ারের হারানো জৌলুস।



















