মেঘনায় দুই লঞ্চের সংঘর্ষে নিহত ৩
চাঁদপুরে মেঘনা নদীতে ঘন কুয়াশায় জাকির সম্রাট-৩ ও অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চের সংঘর্ষে তিন জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৭ থেকে ৮ জন যাত্রী।
বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে চাঁদপুর সদরের হরিনা এলাকায় মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে একজন নারী ও দু'জন পুরুষ রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও যাত্রীদের বরাতে জানা যায়, ভোলার চরফ্যাশন উপজলার দুলারহাট থানার ঘোষেরহাট এলাকা থেকে ছেড়ে আসা এমভি জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চের সঙ্গে অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চের সংঘর্ষ হয়। অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চটি এমভি জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চের মাঝ বরাবর সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে জাকির সম্রাট লঞ্চটির দ্বিতীয় তলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
নিহত নারী যাত্রী দুই লঞ্চের সংঘর্ষের মুহূর্তে মর্মান্তিক ভাবে দ্বিখণ্ডিত হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। অপর দুই পুরুষ যাত্রীও ঘটনাস্থলে মৃত্যুবরণ করেন বলে জানা গেছে।
যাত্রীরা জানান, লঞ্চের সাইডে অনেক যাত্রী অবস্থান করছিলেন। সংঘর্ষের তীব্রতায় বহু যাত্রী নদীতে পড়ে যান। তাদের মধ্যে কয়েকজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার কার্যক্রম চললেও হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় জেলে ও নৌযান শ্রমিকদের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতাল ও চিকিৎসা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর মাঝ নদীতে ক্ষতিগ্রস্ত লঞ্চটি যখন ডুবো-ডুবো অবস্থায় ভাসছিল, তখন ভোলা থেকে ঢাকাগামী অপর একটি লঞ্চ এমভি কর্ণফুলী-৯ দ্রুত এগিয়ে আসে। তারা অনেক যাত্রীকে উদ্ধার করে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
অন্যদিকে, নিহতদের মরদেহ এবং গুরুতর আহত যাত্রীদের নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চটি চিকিৎসার জন্য চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে।
চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএর উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) বাবু লাল বৈদ্য বলেন, 'চাঁদপুর সদরের হরিনা এলাকায় মেঘনা নদীতে কুয়াশার কারণে দুটি লঞ্চের সংঘর্ষ হয়। ওই সময় তিন জন নিহতসহ বেশ কয়েকজন আহ
ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।



















