চর কুলাঘাটে অবৈধ বালু উত্তোলনে ধ্বংসের মুখে একমাত্র সড়ক: ৫ গ্রামের হাজারো মানুষের চলাচলে চরম ভোগান্তি
নিজস্ব প্রতিবেদক, লালমনিরহাট (বা আপনার এলাকা):
লালমনিরহাট সদরের কুলাঘাট ইউনিয়নের চর কুলাঘাট এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের ফলে ধ্বংসের মুখে পড়েছে পাঁচটি গ্রামের মানুষের চলাচলের একমাত্র পাকা রাস্তাটি। বালু ব্যবসায়ীদের ব্যবহৃত ‘কাকড়া’ (ট্রাক্টর) ও ভারি ড্রাম ট্রাকের অবাধ চলাচলে রাস্তাটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, যা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
লালমনিরহাট সদরের কুলাঘাট ইউনিয়নের চর কুলাঘাট এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের ফলে ধ্বংসের মুখে পড়েছে পাঁচটি গ্রামের মানুষের চলাচলের একমাত্র পাকা রাস্তাটি। বালু ব্যবসায়ীদের ব্যবহৃত ‘কাকড়া’ (ট্রাক্টর) ও ভারি ড্রাম ট্রাকের অবাধ চলাচলে রাস্তাটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, যা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, চর কুলাঘাট হয়ে শহর অভিমুখী এই রাস্তাটি দিয়েই পার্শ্ববর্তী অন্তত পাঁচটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করেন। কিন্তু কিছু অসাধু বালু ব্যবসায়ী আইনের তোয়াক্কা না করে নদী ও ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে বালু তুলে এই রাস্তা দিয়ে পরিবহন করছেন। ভারি ট্রাক্টরের চাকায় রাস্তার পিচ উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্তে পানি জমে রাস্তাটি মরণফাঁদে পরিণত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই সড়কটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা সময়মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছাতে পারছে না। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন জরুরি রোগীরা। রাস্তা ভাঙা হওয়ায় অ্যাম্বুলেন্স বা জরুরি সেবা দানকারী যানবাহন এই এলাকায় ঢুকতে চাচ্ছে না। এছাড়া বালু পরিবহনের সময় ট্রাক্টর থেকে পড়া বালুর ধুলোয় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে।
এলাকার ভুক্তভোগী এক বাসিন্দা বলেন, “আমাদের চলাচলের জন্য এই একটিই রাস্তা। কিন্তু বালুর ট্রাকের যন্ত্রণায় আজ আমাদের রাস্তায় বের হওয়া দায় হয়ে পড়েছে। প্রতিবাদ করেও কোনো লাভ হচ্ছে না, উল্টো অসাধু ব্যবসায়ীরা প্রভাবশালী হওয়ায় সাধারণ মানুষ ভয়ে কিছু বলতে পারে না।”
পরিবেশ ও জননিরাপত্তা ঝুঁকি:
বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলতে থাকলে শুধু রাস্তাই নয়, পার্শ্ববর্তী আবাদি জমি ও বসতবাড়িও নদী ভাঙনের কবলে পড়তে পারে। স্থানীয়রা অবিলম্বে এই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ এবং ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলতে থাকলে শুধু রাস্তাই নয়, পার্শ্ববর্তী আবাদি জমি ও বসতবাড়িও নদী ভাঙনের কবলে পড়তে পারে। স্থানীয়রা অবিলম্বে এই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ এবং ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে এলাকাবাসী বড় ধরনের আন্দোলনের ডাক দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে



















