বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে জেলা শহরের পলাশবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন,আশিকুর রহমান (২৬), নুর আমিন (২৬), জিহাদ (৩০), সৃষ্টি (১৮)সহ আরও একজন।
এনসিপির জেলা আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদুজ্জামান তাওহিদ জানান, প্রার্থীর নির্বাচনী গাড়িতে করে পলাশবাড়ী এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হাসপাতালে আহতদের দেখতে এসে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ১১ দলীয় জোট প্রার্থী ড. আতিক মুজাহিদ বলেন,“আমার নির্বাচনী গাড়িতে বাড়ি ফেরার সময় আমাকে মনে করে আমার ছোট ভাইসহ ৫ জনকে গাড়ি থেকে নামিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। ছাত্রদলের সভাপতি আমিমুল ইহছানের নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৩৫ জন এ হামলা চালিয়েছে।”
এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যেখানে ছাত্রদলের সভাপতি আমিমুল ইহছানসহ ২৫-৩০ জনের নামে অভিযোগ দেয়া হয়েছে। এর আগে রাত ১২ টার দিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি নিয়ে ড. আতিক মুজাহিদ ও তার সমর্থকরা পুলিশ সুপারের বাসভবনের সামনে অবস্থান করেন।
অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে,
জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক ইকবাল রাব্বী জানান, 'তারা নিশ্চিত পরাজয় জেনে সারা দেশের মতোই ভোট কেনার অপচেষ্টা চালিয়ে এলাকাবাসীর প্রতিরোধে লাঞ্ছিত হয়ে এখন দায় চাপানো হচ্ছে ছাত্রদলের ওপর। উদ্দেশ্য একটাই, সিমপ্যাথি ভোট আদায় করা।'
কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি জানান, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা হবে।'



















