কচুয়ায় ঐতিহ্যবাহী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে আনন্দঘন পরিবেশে "এসো মিলি প্রাণের টানে, ফিরে যাই শৈশবে, মেতে উঠি উৎসবে" এই শ্লোগানে এসএসসি ১৯৯৫ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় মুখরিত হয়ে ওঠে বিদ্যালয়ের পুরো প্রাঙ্গণ।২২ মার্চ রবিবার দিনব্যাপী প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আয়োজনে এ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়।
দীর্ঘদিন পর পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ পেয়ে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা দেয়। একে অপরের সঙ্গে কুশল বিনিময় এবং স্মৃতিরোমন্থনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি এক আবেগঘন মিলনমেলায় পরিণত হয়। পুরোনো বিদ্যালয়ে ফিরে সবাই যেন হারিয়ে যাওয়া কৈশোরের স্মৃতি নতুন করে ফিরে পান এবং পুরোনো বন্ধুত্বে আবারও প্রাণ ফিরে আসে।
এ উপলক্ষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তারা বিদ্যালয়ের শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও নৈতিক মূল্যবোধ গঠনে শিক্ষকদের অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য, শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান ও মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়।
বিদ্যালয় হল রুমে আলোচনা সভায় প্রাক্তন শিক্ষার্থী গাজী মোহাম্মদ ইউনুস মিয়ার সভাপতিত্বে জসিম উদ্দিন মিয়াজী ও আবু বক্কর সিদ্দিকের যৌথ পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল বাছির।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাবেক শিক্ষক সনতোষ চন্দ্র সেন, মোঃ কবির হোসেন, বর্তমান শিক্ষক ইকবাল হোসেন ও আবুল বাশার প্রমুখ।
এ সময় সাবেক ও বর্তমান শিক্ষকদের মাঝে সংবর্ধনা ও উপর প্রদান করেন প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।
এছাড়াও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আয়োজন দিনব্যাপী খেলাধুলা, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিভিন্ন কুইজ প্রতিযোগিতা, বন্ধুত্বের মধ্যে ফটো শেয়ার, বন্ধুত্বের মধ্যে একে অপরের মধ্যে তাদের জীবনের দুঃখ সুখের আলাপ আলোচনা, হাসি আড্ডায় মেতে উঠে।
উপস্থিত প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা জানান, ব্যস্ততার কারণে সারা বছর সবার সাথে দেখা হয় না। প্রতি বছর পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে আয়োজনের উছিলায় শৈশবের সেই প্রিয় স্কুল প্রাঙ্গণে সবাই একত্রিত হতে পেরে তারা অত্যন্ত আনন্দিত। এই মিলনমেলা কেবল একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি ভাই ও বন্ধুদের এক অটুট বন্ধন।



















