close

কমেন্ট করুন পয়েন্ট জিতুন!

জেলা প্রশাসনের পদক্ষেপে সাতক্ষীরায় ৮ম শ্রেণির স্কুলছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ..

শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার: avatar   
শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার:
সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসকের পদক্ষেপে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেল আখড়াখোলা মুকুন্দপুর আলিম মাদ্রাসা ৮ম শ্রেণির এক ছাত্রী..

শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার, সাতক্ষীরা:


সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসকের পদক্ষেপে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেল আখড়াখোলা মুকুন্দপুর আলিম মাদ্রাসা ৮ম শ্রেণির এক ছাত্রী। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি '২৭) দুপুরে জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, সমাজসেবা অধিদপ্তর ও স্থানীয় সরকার (ইউপি) বাল্যবিবাহটি বন্ধ করে প্রশাসনিক ব্যবস্থায় নিষেধাজ্ঞা দেয়।

জানা যায়, সাতক্ষীরা জেলার প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ আফরোজা আক্তার বাল্যবিবাহের বিষয়টি গোপনে জানতে পারেন এবং তিনি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অর্ণব দত্তকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। এবিষয়ে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর উপ-পরিচালক নাজমুন নাহার তার প্রোগ্রাম অফিসার ফাতেমা জোহরাকে সমন্বয়ক করে একটি টিম ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে দেন।

দুপুরে মেয়ের বাবার বাড়িতে বরপক্ষ আসার আগেই টিম সদস্য সমাজসেবা অধিদপ্তরের শিশু সুরক্ষাকর্মী বাসিয়ার রহমান, ঐ শিক্ষার্থীর মাদ্রাসা অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল্লাহ, গ্রামপুলিশ মনিরুজ্জামান, তথ্য উদ্যোক্তা আলমগীর ঘটনা স্থলে পৌঁছে যান। তারা ঘটনার সত্যতা পান এবং বাল্যবিবাহটি প্রতিরোধ ও আইনগত নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত স্থগিত করেন।

টিম সদস্যরা জানান, জেলার কলারোয়া উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের কাজিরহাট ছোট কলসি গ্রামের এক যুবকের সাথে ঐ ছাত্রীর পরিবার বাল্যবিবাহ ঠিক করে আনুষ্ঠানিক আয়োজন করে। এতে স্থানীয় ও আত্মীয়স্বজনদের দাওয়াত দেওয়া হয় এবং অনেকেই দাওয়াতে চলে আসেন। ঘটনা স্থলে উপস্থিতিদের দেশের প্রচলিত বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭, সরকারি অন্যান্য বাঁধা ও সহায়তা নিষেধ বিশেষ অবগত করা হলে তারা ভূল স্বীকার করেন। এ ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়ে ঐ ছাত্রীর মা ফতেমা খাতুন মুচলেকা দেন।

এক‌ই সময় প্রশাসনিক ব্যবস্থায় এ বাল্যবিবাহের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ হয়েছে। মেয়ের ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না এক‌ইসাথে তার পড়ালেখা চালিয়ে নেওয়ার শর্ত দেওয়া হয়েছে।

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি


News Card Generator