close

ভিডিও দেখুন, পয়েন্ট জিতুন!

ইউএনও পরিচয়ে ফোন: খানসামায় প্রধান শিক্ষক প্রতারণার শিকার..

Azizar Rahman avatar   
Azizar Rahman
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ বরাদ্দ দেওয়ার কথা বলে এক প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে ৭ হাজার ৫০০ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।..

খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: এ ঘটনায় প্রতারণার শিকার হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষক।

ভুক্তভোগী শিক্ষক গোপী চাঁদ রায় (৪৭) খানসামা উপজেলার ৪২নং মধ্য আংগারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিনি জানান, গত ৩১ জানুয়ারি শনিবার বিকেল আনুমানিক ৪টা ৪০ মিনিটে ৩নং আংগারপাড়া ইউনিয়নের ওয়ার্ড নং–৪ এর ইউপি সদস্য মো. আবেদ আলী মোবাইল ফোনে জানান যে, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তার সঙ্গে কথা বলবেন।

ইউএনওর মোবাইল নম্বর না থাকায় তিনি ইউপি সদস্যের কাছ থেকে একটি নম্বর সংগ্রহ করেন। পরে ওই নম্বরে ফোন করলে নিজেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পরিচয়ে এক ব্যক্তি জানান, খানসামা উপজেলায় ১০টি ল্যাপটপ বরাদ্দ এসেছে এবং তার বিদ্যালয়ের নামে একটি ল্যাপটপ বরাদ্দ রয়েছে। তবে ল্যাপটপটি নিতে হলে দ্রুত বিকাশের মাধ্যমে ৭ হাজার ৫০০ টাকা পাঠাতে হবে বলে জানানো হয়।

প্রতারকের কথায় বিশ্বাস করে শিক্ষক গোপী চাঁদ রায় পাকেরহাট বাজারের বেলতলী মার্কেটে অবস্থিত একটি বিকাশ দোকান থেকে বিকাল আনুমানিক ৫টা ২৪ মিনিটে উল্লিখিত বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠান। টাকা পাঠানোর পর পুনরায় যোগাযোগের চেষ্টা করলে ওই মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহায়তায় তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রকৃত মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করলে ইউএনও জানান, কোনো ল্যাপটপ বরাদ্দ আসেনি এবং এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। বরং বিষয়টি প্রতারণা বলে নিশ্চিত করেন।

এ ঘটনায় প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি বুঝতে পেরে এবং স্থানীয়দের পরামর্শে খানসামা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন, ভুক্তভোগী শিক্ষক। তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

 

نظری یافت نشد


News Card Generator