ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল উৎপাদনের গতি আশঙ্কাজনকভাবে দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা মহলে গভীর উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। সাম্প্রতিক সামরিক রিপোর্ট এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, এই ক্রমবর্ধমান মিসাইল সক্ষমতা এখন জেরুজালেমের জন্য একটি বড় কৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। ইসরায়েলি সামরিক প্রতিনিধিরা সংসদ সদস্যদের সঙ্গে একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠকে এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিয়ে সতর্ক করেছেন।
মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)
বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছেন, ইরানের এই অগ্রগতি আঞ্চলিক নিরাপত্তার গতিপথ বদলে দিয়েছে। দেশটির বর্তমান মিসাইল সক্ষমতা এখন একটি শক্তিশালী প্রতিরোধক শক্তি হিসেবে কাজ করছে। এই সক্ষমতা ইসরায়েল বা অন্য কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীকে তেহরানের বিরুদ্ধে কোনো আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ নিতে বা নতুন করে সংঘাতে জড়াতে নিরুৎসাহিত করছে। এটি এক অর্থে ইরানের আঞ্চলিক প্রভাব ও দর কষাকষির ক্ষমতাকে বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে।
দখলকৃত অঞ্চলের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম 'ম্যারিভ নিউজপেপার' আল-জাজিরার বরাত দিয়ে একটি বিশ্বাসযোগ্য সূত্রের তথ্য প্রকাশ করেছে। সেই অনুযায়ী, সংসদীয় রুদ্ধদ্বার বৈঠকে সামরিক প্রতিনিধিরা আইনপ্রণেতাদের স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন যে, ইরানের হাতে এখন যে গতিতে ব্যালিস্টিক মিসাইল তৈরি হচ্ছে, তা ইসরায়েলের প্রচলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন করবে।
সম্প্রতি ১২ দিনের একটি সংঘর্ষের পর ইসরায়েলের মধ্যে ইরানের এই অস্ত্রভান্ডার নিয়ে ভয়ের মাত্রা আরও বেড়েছে। সামরিক ও রাজনৈতিক মহলে এই মিসাইল প্রকল্প নিয়ে সৃষ্ট গভীর উদ্বেগ শেষ পর্যন্ত ইসরায়েলের ক্ষমতাসীনদের মধ্যেও ব্যাপক শঙ্কা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, যা দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।