হাইকোর্টের নির্দেশে পবিপ্রবিতে বিএসসি ইন এএইচ ডিগ্রি বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত বাতিল..

Online Correspondent avatar   
Online Correspondent
বিশেষ প্রতিনিধি

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএসসি ইন এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি ডিগ্রি বিলুপ্তির সিদ্ধান্তকে বেআইনি ও অবৈধ ঘোষণা করে বাতিল করেছে হাইকোর্ট। গত ৩ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত শুনানি শেষে এ রায় প্রদান করা হয়।  

 

এর পূর্বে গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম (জরুরি) একাডেমিক কাউন্সিলে এএনএসভিএম অনুষদ থেকে চলমান ডিভিএম ও এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি ডিগ্রি বিলুপ্ত করে নতুন কম্বাইন্ড বিএসসি ইন ভেট সায়েন্স এন্ড এএইচ ডিগ্রি চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সভায় কোর্স কারিকুলাম প্রণয়নের জন্য ১৩ সদস্যের কমিটি গঠন এবং ৪ সেপ্টেম্বর থেকে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়।  

 

একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর এই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হলে আদালত প্রথমে তিন মাসের স্থগিতাদেশ দেন । পরবর্তীতে ৪ ডিসেম্বর আদালত এএইচ ডিগ্রি পুনঃস্থাপন করে সম্পূরক ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কার্যক্রম চালিয়ে গেলে আদালত অবমাননার অভিযোগ ওঠে।  

 

দীর্ঘ শুনানি শেষে হাইকোর্ট রায়ে একাডেমিক কাউন্সিলের ডিগ্রি বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত বাতিল ও অবৈধ ঘোষণা করেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কম্বাইন্ড ডিগ্রির অধীনে অনুষ্ঠিত ক্লাস ও পরীক্ষা আইনগতভাবে অবৈধ এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ ভর্তিকৃত ডিগ্রিতে ফিরে যেতে হবে।  

 

তবে আদালত বিদ্যমান ডিভিএম ও এএইচ ডিগ্রির পাশাপাশি নতুন কম্বাইন্ড ডিগ্রি চালুর অনুমতি দিয়েছেন, যা কেবল নতুন ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য হবে। এ সিদ্ধান্ত ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।  

 

রায়ে আরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, রায়ের কপি গ্রহণের ৩০ দিনের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ডিভিএম এবং এএইচ প্রোগ্রামে ভর্তি সংক্রান্ত সম্পূরক সার্কুলার প্রকাশ করতে হবে এবং আদালত অবমাননা সংক্রান্ত রিটে বাস্তবায়ন অগ্রগতি জানাতে হবে।  

 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান বলেন , "আদালত যেই রায় দিয়েছে তার বাহিরে যাওয়ার আমাদের এখতিয়ার নেই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবে।"

 

পূর্বে হাইকোর্ট কম্ভাইম্ড ডিগ্রি ৩ মাসের স্থগিতাদেশ দেওয়ার পরও বিশ্ববিদ্যালয় কম্ভাইন্ড ডিগ্রি চালিয়ে যায়। এতে হাইকোর্টের অবমাননা হয়েছিলো কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন , "এ বিষয়ে আমি অবগত নই। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে, তবে তা অবশ্যই হাইকোর্টের অবমাননা।"

 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলামকে মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।

کوئی تبصرہ نہیں ملا


News Card Generator