ফরিদগঞ্জে ভোটকেন্দ্রের কথা কাটাকাটি নিয়ে দ্বন্ধে দোকান বসতঘরে হামলা অগ্নিসংযোগ..

Abdul Kadir  avatar   
Abdul Kadir
আমি প্রতিবন্ধী মানুষ,  এই দোকানটা চালিয়ে আমার সংসার চলে। তাদের হামলায় দোকানের সবকিছু তছনছ করে দেয়। তাদের ভয়ে এতদিন দোকান বন্ধ রেখেছি, আজকে পুলিশ এসে দোকান খুলে দিয়েছে।..

 

 

ফরিদগঞ্জে ভোটকেন্দ্রের কথা কাটাকাটি নিয়ে দ্বন্ধে  দোকান বসতঘরে  হামলা অগ্নিসংযোগ !

 

ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি: 

চাঁদপুর ফরিদগঞ্জে ভোটকেন্দ্রের কথা কাটাকাটি নিয়ে দোকান বসতঘরে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।  উভয় পক্ষের হামলায় একাধিক ব্যাক্তি আহত হয়েছেন। হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা নিয়ন্ত্রনে যৌথ বাহিনী একযোগে কাজ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নেয়। এ ঘটনায় উভয় পক্ষ ফরিদগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।  হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়ায় জনমনে এখনও আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা উভয় পক্ষই বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। এক পক্ষ দলীয় প্রতিকে উপর পক্ষ স্বতন্ত্র প্রার্থীর চিংড়ি মাছ মার্কায় নির্বাচন করেছে। 

ঘটনার শুরু  ১২ ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন সাব্বির ও মোবারকের মধ্যকার সহযোগিতা নিয়ে। মোবারক ভোটার তালিকার নাম্বার বের করতে  

 সাব্বিরের সহযোগিতা চাইলে, সাব্বির সহযোগিতা না করায় তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। সেসময় তাদের মাঝে অংশ নেয় সাব্বিরের চাচা মানিক। পরের দিন ১৩ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার বিকালে তর্কে জড়ায় মানিক ও মোবারক।  দুইজনের মাঝে হাতা- হাতির একপর্যায়ে দুই পক্ষের মাঝে ভয়ানক সংঘর্ষ বাধলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করতে যৌথ বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে নিয়ন্ত্রনে নেয়।

হামলায় সাব্বিরেন পিতা জাকির হোসেনের দোকান চাইনিজ কুড়াল দিয়ে কুড়িয়ে সার্টার ভেঙ্গে পেলা হয়। হামলাকারীরা বসতঘরে হামলা করে দরজা জানালা ভেঙ্গে পেলে। মোবারক গংদের হামলায়  মানিক গংরা অবরুদ্ধ হলে একপর্যায়ে তাদের কয়েকজনকে যৌথ বাহিনীর সহযোগিতায়  আহত অবস্থায় উদ্ধার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য প্রেরন করা হয়।  এ ঘটনায় যৌথবাহিনি,পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার নাকরায় এলাকায়  থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

 ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার চর: দুখিয়া পূর্ব ইউনিয়নের সন্তোষপুরের মকবুলের দোকান নামক স্থানের।

স্থানীয় বাসিন্দা তোফায়েল হোসেন বলেন, শুক্রবার মানিক মোবারকের উপর হামলা করায় ঘটনাটি এত বড় হয়েছে। মামলা ভাঙ্গচুরের মত ঘটনা ঘটেছে।  

মোবারক বলেন, আমি তার ভাইয়ের দোকানে চা খেতে ছিলাম তারা আমাকে মেরে রক্তাক্ত করলে পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যায়। পরে কে বা কারা তাদের দোকানে ও বাড়িতে হামলা করে আমি জানিনা।

রানু বেগম বলেন, শাহাদাত হোসেন টেলুর নেতৃত্বে হামলা করা হয়। রুবেল চাপাতি দিয়ে আমাদের দরজা জানালাগুলো সব ভেঙ্গে পেলে।

 

জাকির হোসেন বলেন, আমি প্রতিবন্ধী মানুষ,  এই দোকানটা চালিয়ে আমার সংসার চলে। তাদের হামলায় দোকানের সবকিছু তছনছ করে দেয়। তাদের ভয়ে এতদিন দোকান বন্ধ রেখেছি, আজকে পুলিশ এসে দোকান খুলে দিয়েছে।

 

ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান বলেন, যখন মোবারক'কে মেরেছে তখস যে যেদিক থেকে আসছে সবাই মানিকের উপর ঝাপিয়ে পড়েছে। আবার সেসময় কারেন্ট না থাকায় কাউকে দেখা যায়নি। সার্টারে ও দরজায়   কোপগুলো লাঠি দিয়ে দেওয়া সম্ভবনা। সেখানে দাড়ালো অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছ। শান্তী শৃঙ্খলার জন্য এই অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা দরকার।  এটা পুলিশের কাজ তারা উদ্ধার করবে।

ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন বলেন,  উভয় পক্ষের অভিযোগের তদন্ত চলছে। আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা  নিব।





No se encontraron comentarios


News Card Generator