ওয়েস্টার্ন সিডনি স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই চীনের মতো পরাশক্তির সঙ্গে সমানতালে খেলেছে বাংলাদেশ। প্রায় ৪০ মিনিট পর্যন্ত রক্ষণ ও মাঝমাঠে দারুণ সংগঠিত ফুটবল উপহার দেয় তারা। ১৪ মিনিটে ঋতুপর্ণা চাকমার দূরপাল্লার জোরালো শটে গোলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, কিন্তু চীনা গোলরক্ষকের দক্ষতায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে ম্যাচের গতি বদলে যায়। ৪৪ মিনিটে চীন এগিয়ে যায়। এরপর ইনজুরি টাইমে আরও একটি গোল হজম করে বিরতিতে দুই গোলে পিছিয়ে পড়ে আফঈদা খন্দকারের নেতৃত্বাধীন দল। এর আগে, ২৪ তম মিনিটে চীন গোলের দেখা পেলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়।
বিরতির পর বাংলাদেশ আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। রক্ষণ মজবুত রেখে প্রতিআক্রমণে গোল শোধের চেষ্টা চালায় মেয়েরা। কয়েকটি ভালো মুভও তৈরি হয়, তবে শেষ পর্যন্ত স্কোরলাইন বদলাতে পারেনি কেউই।
হারলেও আত্মবিশ্বাস, সাহস আর লড়াইয়ের মানসিকতার বড় পরিচয় দিয়েছে বাংলাদেশের নারীরা।



















