একটি বাতি আর একটি ফ্যান, বিদ্যুৎ বিল এল সাড়ে ৫৫ হাজার টাকা

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
একটি বাতি আর একটি ফ্যান, বিদ্যুৎ বিল এল সাড়ে ৫৫ হাজার টাকা
একটি বাতি আর একটি ফ্যান, বিদ্যুৎ বিল এল সাড়ে ৫৫ হাজার টাকা
Customers in Munshiganj are in distress after receiving an exorbitant electricity bill of Tk 55,550 for a small shop that usually pays only Tk 300.

মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় একটি বাতি ও একটি ফ্যান ব্যবহারকারী ক্ষুদ্র চা দোকানির হাতে সাড়ে ৫৫ হাজার টাকার বিদ্যুৎ বিল আসায় এলাকায় চরম চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। বাজারের ছোট দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা বাদশা ব্যাপারীর মাসিক বিল সাধারণত ২০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে থাকে। কিন্তু চলতি মাসে লিটুখান বাজারে তাঁর হাতে ৫৫,৫৫০ টাকার বিল আসায় তিনি সম্পূর্ণ দিশাহারা। তিনি এই বিলকে 'অসম্ভব' আখ্যা দিয়ে বলেন, তাঁর দোকানে এত বিদ্যুৎ ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই।

মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)

সরাসরি কেনাকাটা করুন
সবগুলো দেখুন

একই বাজারের আরেক দোকানদার শহীদ খানের পরিস্থিতিও ভিন্ন নয়। খাবারের দোকানটিতে দুটি বাতি, একটি ফ্যান ও একটি ছোট ফ্রিজ ব্যবহার করা হলেও, তাঁর মাসিক ৬০০-৮০০ টাকার বিল এবার এক লাফে ২৪,২১৬ টাকায় পৌঁছেছে। ভুক্তভোগী শহীদ খান ক্ষোভের সঙ্গে জানান, এমন অস্বাভাবিক বিল দেখে তিনি স্তম্ভিত এবং এই হারে বিল দিতে হলে দোকান চালানো অসম্ভব হয়ে পড়বে।

বাজারের অন্য ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, গত কয়েক মাস ধরেই এই এলাকায় বিদ্যুৎ বিল নিয়ে এমন 'ভুতুড়ে' ঘটনা ঘটছে। তাঁদের ধারণা, হয় মিটার রিডিং নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুতর গাফিলতি হচ্ছে, নতুবা বিলিং পদ্ধতিতে বড় ধরনের সফটওয়্যার ত্রুটি রয়েছে। এই অস্বাভাবিক বিলের কারণে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তাঁরা দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে সঠিক হিসাব নিশ্চিত করার পাশাপাশি এই ভুলের জন্য দায়ী কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তবে বিল প্রস্তুতকারী কর্মী সুমি রানী দাস গ্রাহকদের অফিসে যোগাযোগের পরামর্শ দিয়ে দায় সেরেছেন। তিনি বলেন, গ্রাহকরা অফিসে এলে সরেজমিন যাচাই করে বিল পুনঃবিবেচনা করা হবে। এ বিষয়ে টঙ্গিবাড়ী পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. আব্দুস ছালাম ত্রুটির কথা স্বীকার করে বলেন, মিটার রিডিং বা বিলিং সিস্টেমে ত্রুটি থাকতে পারে এবং দ্রুত সমাধানের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে গ্রাহকদের হয়রানি করে অফিসে আসতে বলার সংস্কৃতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

No comments found


News Card Generator