এ কে এম ফজলুল হক মিলনকে মন্ত্রী হিসেবে পেতে চায় গাজীপুরের সর্বস্তরের জনগন
কালীগঞ্জ (গাজীপুর)প্রতিনিধি
গাজীপুরের মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা, গাজীপুর জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র সম্মানিত আহ্বায়ক, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সফল সভাপতি ও ৯০’র স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা জননেতা এ কে এম ফজলুল হক মিলন বিপুল ভোটে নির্বাচিত হওয়ায় গাজীপুরজুড়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে উঠেছে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। সর্বস্তরের জনগণ তাকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং এ বিজয়কে গণমানুষের বিজয় হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী দৃঢ় কণ্ঠে জানান, দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, ত্যাগ ও গণমানুষের পাশে থাকার পুরস্কার হিসেবেই এ বিপুল বিজয় এসেছে। তারা আশা প্রকাশ করে বলেন, তার সাহসী, দৃঢ় ও গতিশীল নেতৃত্বে গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ, বাড়িয়া ও পুবাইলসহ পুরো অঞ্চল সন্ত্রাসমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত, দখলদারমুক্ত ও মাদকমুক্ত উন্নয়নের মডেল এলাকায় পরিণত হবে।
এদিকে এলাকাবাসী জোরালোভাবে দাবি তুলেছেন—গণমানুষের আস্থার প্রতীক ও জননন্দিত এ নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করে দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হোক। তাদের ভাষায়, “জননেতা মিলন শুধু একজন সংসদ সদস্য নন; তিনি গাজীপুরবাসীর আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিচ্ছবি। তার যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও জনসমর্থনের ভিত্তিতে তিনি মন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার যোগ্য দাবিদার।”
এলাকাবাসী আরও বলেন, তারেক রহমান’র নেতৃত্বে একটি মানবিক, কল্যাণমুখী ও গণতান্ত্রিক নতুন বাংলাদেশ গঠনের সংগ্রামে তারা জননেতা মিলনের পাশে আছেন এবং থাকবেন। বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় তার নেতৃত্ব গাজীপুরসহ সমগ্র দেশের রাজনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ বিজয় শুধু একটি নির্বাচনী ফল নয়; বরং এটি দীর্ঘদিনের গণআকাঙ্ক্ষা ও পরিবর্তনের প্রত্যাশার প্রতিফলন। ফলে গাজীপুরজুড়ে নতুন রাজনৈতিক উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে এবং উন্নয়ন, সুশাসন ও গণতান্ত্রিক চর্চা আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
এ কে এম ফজলুল হক মিলনকে মন্ত্রী হিসেবে পেতে চায় গাজীপুরের সর্বস্তরের জনগন..
لم يتم العثور على تعليقات



















