close

লাইক দিন পয়েন্ট জিতুন!

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক: নিষিদ্ধ ইজি-বাইক ও অটোরিকশার দখলে ব্যস্ততম পথ।..

Md Sohel avatar   
Md Sohel
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক: সরকারি নিষেধাজ্ঞা এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকলেও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবাধে চলছে অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ইজি-বাইক। মহাসড়কের কুমিল্লা, ফেনী ও চট্রগ্রামের বিভিন্ন অংশে ..

:নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

সরেজমিনে দেখা গেছে, মহাসড়কের মূল লেনে যাত্রীবাহী বড় বাস ও পণ্যবাহী ট্রাকের পাশ ঘেঁষেই দ্রুতবেগে ছুটে চলছে অটোরিকশা। বিশেষ করে মহাসড়কের বিভিন্ন সংযোগস্থল এবং বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকাগুলোতে এসব যানবাহনের জটলা সবচেয়ে বেশি। উল্টো পথে চলার (Wrong side driving) প্রবণতাও এসব চালকদের মধ্যে ব্যাপক, যা মহাসড়কের শৃঙ্খলার জন্য চরম হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মহাসড়কে গাড়ির গতিবেগ সাধারণত ৮০-১০০ কি.মি. বা তার বেশি থাকে। সেখানে ২০-৩০ কি.মি. গতির ইজি-বাইক প্রবেশ করায় দ্রুতগতির যানবাহনগুলো প্রায়ই নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, গত কয়েক মাসে ছোট-বড় যতগুলো দুর্ঘটনা ঘটেছে, তার একটি বড় অংশের নেপথ্যে ছিল এসব ধীরগতির যানবাহন।

একদিকে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য স্বল্প দূরত্বের যাত্রীরা এই যানগুলোকে বেছে নিচ্ছেন, অন্যদিকে দূরপাল্লার যাত্রী ও চালকরা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। একজন বাস চালক জানান, "মহাসড়কের মাঝখানে হঠাৎ অটোরিকশা চলে আসায় ব্রেক চাপতে হয়, এতে বড় দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। এরা কোনো ট্রাফিক আইন মানে না।"

হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে মাঝেমধ্যেই অভিযান চালিয়ে এসব যানবাহন জব্দ করা হলেও কয়েক দিন পরেই চিত্র আবার আগের মতো হয়ে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব এবং কিছু অসাধু ব্যক্তির মাসোহারা বা চাঁদাবাজির কারণেই মহাসড়ক থেকে এসব অবৈধ যান উচ্ছেদ করা সম্ভব হচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মহাসড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে:

: চেকপোস্টের সংখ্যা বাড়িয়ে ইজি-বাইকের প্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে।

: স্বল্প দূরত্বের যাত্রীদের জন্য সার্ভিস লেনের ব্যবস্থা কার্যকর করতে হবে অটোরিকশা চালক ও যাত্রীদের মহাসড়কের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করতে হবে।

দেশের অর্থনীতির লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত এই মহাসড়কটিকে নিরাপদ রাখতে প্রশাসনের আরও কঠোর ও নিয়মিত পদক্ষেপ

এখন সময়ের দাবি।

Inga kommentarer hittades


News Card Generator