বরগুনায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে গণভোটের প্রচার প্রচারণা..

Maishatul Jannah Moume avatar   
Maishatul Jannah Moume
সাংবিধানিক সংস্কার ও গণভোটের দাবিতে বরগুনায় প্রচারণামূলক কর্মসূচি পালন করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা,..

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা গণভোটের পক্ষে “হ্যাঁ” ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান এবং বিভিন্ন প্রস্তাবিত সংস্কার তুলে ধরেন।

 

প্রচার কার্যক্রমে শিক্ষার্থীরা বলেন, তারা এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা চান যেখানে সাংবিধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোয় ক্ষমতার ভারসাম্য, জবাবদিহিতা ও অংশগ্রহণমূলক শাসনব্যবস্থা নিশ্চিত হবে। এ লক্ষ্যে তারা কয়েকটি প্রস্তাব সামনে আনেন।

 

প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে—তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) গঠনে সরকারি ও বিরোধী দলের যৌথ অংশগ্রহণ; সরকারি দলের একক ক্ষমতায় সংবিধান সংশোধনের সুযোগ সীমিত করা; সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোট চালু করা; বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার মনোনয়ন ও গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটিতে সভাপতিত্ব প্রদান।

 

এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের সর্বোচ্চ সময়সীমা ১০ বছর নির্ধারণ, সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট পার্লামেন্ট গঠন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং মৌলিক অধিকার সুরক্ষা জোরদারের বিষয়ও তুলে ধরা হয়। দুর্নীতির অপরাধে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদানের সুযোগ না রাখা এবং রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার কথাও বলা হয়। পাশাপাশি রাষ্ট্রভাষা বাংলার মর্যাদা বজায় রেখে অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর ভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃতির প্রস্তাবও রয়েছে।

 

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, এসব প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে গণতান্ত্রিক কাঠামো আরও শক্তিশালী হবে বলে তারা মনে করেন।

 

"গণভোটে হ্যাঁ বলুন,ফ্যাসিজমকে না বলুন"

 

আপনি কি এমন বাংলাদেশ চান? যেখানে,

• তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) গঠনে সরকারি দল ও বিরোধী দল একত্রে কাজ করবে।

• সরকারি দল ইচ্ছেমতো সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না।

• সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের বিধান চালু হবে।

• বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটিসমূহের সভাপতিত্ব থাকবে।

• যত মেয়াদই হোক, কেউ সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।

• সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব পর্যায়ক্রমে বাড়বে।

• ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য পার্লামেন্টে একটি উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে।

• দেশের বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে।

• আপনার মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা (যেমন: ইন্টারনেট সেবা কখনও বন্ধ করা যাবে না) বাড়বে।

• দুর্নীতির অপরাধে রাষ্ট্রপতি ইমিউনিটি হিসেবে ক্ষমা করতে পারবেন না।

• রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য থাকবে।

• রাষ্ট্রভাষা বাংলার মর্যাদার পাশাপাশি অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর ভাষারও সাংবিধানিক স্বীকৃতি থাকবে।

 

তাহলে, গনভোটের পক্ষে “হ্যাঁ” ভোট দিন।

 

সৌজন্যে: বরগুনা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-আন্দোলনের নেতাকর্মীরা সঙ্গে ছিলেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

Комментариев нет


News Card Generator