close

ভিডিও আপলোড করুন পয়েন্ট জিতুন!

বরগুনায় নির্বাচনী বাজি নিয়ে বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলনের কর্মী-সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষ: আহত৫..

Maishatul Jannah Moume avatar   
Maishatul Jannah Moume
****

নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরে বরগুনায় বাজি ধরাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ–এর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে বরগুনা-১ আসনের গৌরীচন্না ইউনিয়নে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর হার–জিত নিয়ে পূর্বের একটি বাজিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়, যা পরে সহিংস রূপ নেয়।
উল্লেখ্য, উক্ত এলাকার চেয়ারম্যান যুবলীগের নেতা, (তানভীর চেয়ারম্যান) 

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গৌরীচন্না ইউনিয়নের দুজন নারী ভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর পক্ষে বাজি ধরেন। তাদের একজন বিএনপিপন্থী এবং অন্যজন ইসলামী আন্দোলনের সমর্থক ছিলেন। ফলাফল ঘোষণার পর কে জিতেছেন—এ নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা ব্যক্তিগত অপমান ও দলীয় মর্যাদার প্রশ্নে গড়ায়।

রবিবার সকালে বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে প্রথমে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়। সংঘর্ষের সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে এবং লাঠিসোঠা ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং আশপাশের বাসিন্দারা নিরাপত্তার স্বার্থে ঘরে অবস্থান নেন।

সংঘর্ষে দুই দলের ৫/৬ জন কর্মী ও সমর্থক আহত হন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের পরিচয় ও আঘাতের মাত্রা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।

অন্যান্য এলাকায়ও উত্তেজনার অভিযোগ:

একই দিনে দেশের অন্য এলাকাতেও নির্বাচনী সহিংসতা ও হামলার অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন স্থানে প্রতীক ও সমর্থনকে কেন্দ্র করে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

উদ্বেগ ও আহ্বান:

ব্যক্তিগত পর্যায়ের বাজি থেকে শুরু হয়ে দলীয় সংঘর্ষে রূপ নেওয়ার ঘটনাকে উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তারা বলছেন, নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক সহিষ্ণুতা বজায় রাখা এবং সহিংসতা এড়াতে স্থানীয় নেতৃত্ব, প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখা প্রয়োজন।

コメントがありません


News Card Generator